অলিভ অয়েল তেল ব্যবহারের নিয়ম
কিভাবে ফেসবুকে কন্টেন্ট মনিটাইজেশন পাবেনঅলিভ অয়েল তেল ব্যবহারের নিয়ম, ও সবথেকে সহজ আর সঠিক উপায় জানতে চান? ত্বক, চুল আর রান্নার জন্য এই তেলটা কীভাবে ব্যবহার করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাবেন।
আজ আমরা এই ব্লগ পোস্টের মাধ্যমে আপনাকে জানিয়ে দিব, রান্না এবং স্বাস্থ্যের জন্য অলিভ অয়েল কিভাবে ব্যবহার করবেন, এবং এর উপকারিতা কি কি সকল বিষয় জানতে হলে সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়তে থাকুন।
পোস্ট সূচীপত্রঃ অলিভ অয়েল তেল ব্যবহারের নিয়ম
- অলিভ অয়েল তেল ব্যবহারের নিয়ম
- রান্নার কাজে অলিভ অয়েলের ব্যবহার
- সালাডের সস হিসেবে অলিভ অয়েল ব্যবহার
- অলিভ অয়েলে পাউরুটি ডুবিয়ে খাওয়ার উপকারিতা
- ত্বক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে অলিভ অয়েলের ব্যবহার
- মেকআপ তোলার জন্য অভিল অয়েলের ব্যবহার
- চুলের যত্নে অলিভ অয়েলের ব্যবহার
- ওজন কমাতে অলিভ অয়েলের ব্যবহার
- অলিভ অয়েল দিয়ে স্ক্রাব বা ফেসপ্যাক বানানোর উপায়
- বাচ্চাদের ত্বকে মালিশের জন্য অলিভ অয়েল ব্যবহার
- অলিভ অয়েল সংরক্ষণ করার উপায়
- উপসংহারঃ অলিভ অয়েল তেল ব্যবহারের নিয়ম
অলিভ অয়েল তেল ব্যবহারের নিয়ম
অলিভ অয়েল তেল ব্যবহারের নিয়ম, আমার অনেক আগে থেকে জানি অলিভ অয়েল বা জলপাই তেল আমাদের শরীরের জন্য আর ত্বকের জন্য খুব দরকারি বা কার্যকর একটা জিনিস। আর রান্নায় ব্যবহার জন্য এটা তো ববহার করাই যায়, তার সাথে ত্বক আর চুলের যত্ন নিতেও অনেক কাজে লাগে। তবে আপনি যদি অলিভ অয়েল বা তেলটা কোন কাজে কীভাবে ব্যবহার করবেন, সেটা জেনে থাকলে সবথেকে বেশি উপকার পাবেন। যেমন ধরুন, অলিভ অয়েলটা সালাদের ওপর বা রান্না শেষ করার পর একটু ছিটিয়ে দিতে পারেন এটা কম তাপে এর ভালো গুণগুলো ধরে রাখে। আর যদি বেশি তাপে ভাজাপোড়া বা রান্না করতে চান, তাহলে সাধারণ বা পিওর অলিভ অয়েল ব্যবহার করা ভালো।
আপনি যদি অলিভ অয়েল এর উপকার জানতে চান তাহলে ত্বক আর চুলের যত্নেও এই তেল দারুণ উপকারী। যাদের ত্বক খুব শুকনো, তারা রাতে ঘুমানোর আগে সামান্য তেল একটু গরম করে মুখে বা শরীরে মালিশ করতে পারেন। এটা আপনার ত্বককে নরম আর মসৃণ রাখে। এছাড়া, শ্যাম্পু করার এক ঘন্টা আগে বা সারারাত চুলে তেলটা ভালো করে মেখে রাখলে চুল শক্ত আর ঝলমলে উজ্জল হয়। আপনি যদি মেকাপ করে থাকে তার পর মেকাপ তোলার জন্য এই তেল ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে যাদের ত্বকে তেল তেল ভাব থাকে তাদের কে তেলটা একটু সাবধানে বা কম ব্যবহার করাই ভালো।
রান্নার কাজে অলিভ অয়েলের ব্যবহার
সালাডের সস হিসেবে অলিভ অয়েল ব্যবহার
সালাডের সস হিসেবে অলিভ অয়েল ব্যবহার করাটা খুবই জনপ্রিয়। সালাডে যদি আপনি অলিভ অয়েল ব্যবাহর করনে তাহলে এটা সালাডের পুষ্টিগুন বাড়িয়ে দেয় এবং এর স্বাদকে করে তোলে আরো মজাদার সু-স্বাদু। আর আপিনি যদি তেলের সাথে লেবুর রস হালকা লবন ও গোল মরিচ গুড়া মিশিয়ে একটা সাধারণ সস তৈরি করেন, এটা আপনার হজমে সাহায্য করে। এতে খাবার থেকে আপনার শরীর পুষ্টি ও ভিটামিন সহজে শুষে নেয়। আপনি যদি এই সস বানিয়ে নিয়মিত খেতে থাকেন তাহলে আপনার হার্টের সমস্যা হওয়ার সম্ভবনা কম থাকবে।
আরো পড়ুনঃ অ্যালোভেরা জেল মুখে ব্যবহারের নিয়ম
আপনি যদি চান এই সসে আরো স্বাদ বাড়াবেন বা ভিন্ন স্বাদ পেতে চান তাহলে এর জন্য ভিনেগার বা বিভিন্ন রকমের মসলা মেসাতে পারেন। যেমন তুলসী মেসালে দারুন লাগবে। কাচা বা সেদ্ধ সবজির উপর যদি পরিমান মতো অলিভ অয়েল মেসানো যায় বা ছিটিয়ে দেওয়া যায় এটা শুধু স্বাদের জন্য না, এটা একটা স্বাস্থ্যকর ফেট, যা আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। তাই আপনি যদি প্রতিদিনের সালাডের সাথে অলিভ অয়েল যোগ করে নিতে পারেন তাহেলে আপনার খাওয়ার অভ্যাস উন্নত হবে।
অলিভ অয়েলে পাউরুটি ডুবিয়ে খাওয়ার উপকারিতা
অলিভ অয়েলে পাউরুটি ডুবিয়ে খাওয়ার ভালো দিক, অলিভ অয়েল বিশেষ করে এটা একটা এক্সট্রা ভার্জিন অয়েল, এর মধ্যে এমন কিছু ভালো ফ্যাট আছে যা মানুষের হার্টের জন্য অনেক উপকারী। এই অলিভ অয়েল আমাদের দেহের খারাপ কোলস্টেরল কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দেয়। তাই আমাদের হার্টের অসুস্থতা কমাতে ও স্ট্রোক করার ভয় কম থাকে। রুটি যদি অলিভ অয়েলে সরাসরি খাওয়া যায় তাহলে তেলে থাকা ভিটামিন ও অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ভেতরে খুব তারাতারি সহজে শুষে নিতে পারে, যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অনেক বেশি।
অলিভ অয়েল হলো এমন একটি ফ্যাট যা সহজে আমাদের হজম ও পেটে অনেক্ষণ থাকে। তাই আপনি যদি সকালে বা হালকা নাস্তা খাওয়ার সময় পাউরুটি অলিভ অয়েলে ডুবিয়ে খেতে পারেন তাহলে আপনাকে সহজে খিদে লাগবে না। এতে আপনার বার বার খাওয়ার প্রয়োজন হবে না যা আপনার ওজন নিয়ন্ত্রন করতে বহুগুনে সাহায্য করবে। এছাড়া ও এই তেলটা পেটের হজমের প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখতে ও পেটের ছোট খাটো রোগ বা জ্বালা পোড়া কমাতে আপনাকে সাহায্য করবো। ফলে আপনি শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকবেন।
ত্বক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে অলিভ অয়েলের ব্যবহার
ত্বকে অলিভ অয়েল তেল ব্যবহারের নিয়ম অলিভ অয়েল আামদের ত্বকের জন্য দারুন একটা প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার। এটা এমন একটা তেল যা অনেক দিন যাবৎ রূপচর্চায় মানুষ ব্যবহার করে আসেছে। এই অলিভ অয়েলে ভিটামিন-ই এবং আনেরা অন্যান্য ভিটামিন থাকে, যা আমাদের চামড়াকে ভিতর থেকে পুষ্টির যোগান দেয় এবং সহজে শুষ্ক হতে দেয় না। আমাদের যাদের ত্বক খুব শুকনো, বিশেষ করে শীতকালে যখন ত্বক ফেটে যায় তখন প্রতিদিন অলিভ অয়েল ব্যবাহর করলে আপনার শরীর থাকবে নরম ও মোলয়েম। এটা শুধু মুখে না আপনি চাইলে সারা শরীরে ব্যবহার করতে পারেন এবং কি আপনার ঠোট যদি ফেটে যায় তাহলে ঠোটেও ব্যবাহর করতে পারবেন। এক কথায় অলিভ অয়েল তেল টা ত্বককে অনেকক্ষন ময়েশ্চারাইজ করে রাখবে।
অলিভ অয়েল ব্যবহারের ফলে আপনার ত্বকের অনেক সমস্যা দূর হবে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে কয়েক ফোটা তেল নিয়ে আপনি হালকা করে মুখে মালিশ করতে পারলে আপনা ত্বক উজ্জ্বল হয় ও রক্ত চলাচল বাড়ায়। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বককে অনেক সতেজ করে রাখে এবং বয়সের ছাপ বা বলি রেখা কমায়। আবার চিনির সাথে অলিভ অয়েল মিশিয়ে ত্বকে ঘষলে এটা আপনার মুখের মরা চামড়া উঠাতে সহায্য করে। এক কথায় ত্বক ময়েশ্চারাইজ রাখতে অলিভ অয়েলের জুরি মেলা ভাড়।
মেকআপ তোলার জন্য অভিল অয়েলের ব্যবহার
আপনি যদি মুখে মেকাপ করে থাকেন আর মেকাপ তুলার প্রয়োজন হয় তাহলে অলিভ অয়েল খুব সহজে এবং কার্যকরভাবে মুখের মেকআপ তুলে ফেলতে সাহায্য করে। আর এটা আইলাইনারও সহজেই পরিষ্কার করা যায়। মেকাপ মুছার জন্য এক টুকরো তুলোর প্যাডে অল্প পরিমাণে অলিভ অয়েল নিয়ে আলতো করে মুখের মেকপ মুছে ফেলুন। মনে রাখবেন অলিভ অয়েল শুধু মেকাপ না আপনার ত্বকে থাকা ময়লা ভেতর থেকে তুলে ফেলে গভীর ভাবে পরিস্কার করে। আমি মনে করি কেমিক্যাল যুক্ত মেকাপ রিমুভারের চেয়ে অলিভ অয়েল অনেক বেশি নিরাপদ ও উপকারী।
আরো পড়ুনঃ বাংলাদেশ থেকে কম খরচে কোন কোন দেশে যাওয়া যায়
মেকাপ তোলার পরে কুসুম গরম পানি দিয়ে আপনার মুখ ধুয়ে ফেলুন, যাতে করে আপনার মুখে তেল তেল ভাব না থাকে বা তেল লেগে না থাকে। অলিভ অয়েল চোখের চার পাশের ত্বককেরি জন্য পুষ্টি যোগায় এবং ত্বককে সতেজ রাখে। নিয়মি ব্যবহোরের ফলে চোখের নিচে থাকা কালো দাগ কামাতে সাহায্য করে। অলিভ অয়েল আপনার শুকনা বা শুষ্ক ত্বককে সাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। তাই বলা যায় মেকাপ তোলার জন্য অলিভ অয়েলের জুরি মেলা ভার।
চুলের যত্নে অলিভ অয়েলের ব্যবহার
অলিভ অয়েল এমন একটি প্রাকৃতিক উপানদান যা আমাদেরে চুলের জন্য একটা প্রাকৃতিক কন্ডিশনারের কাজ করে। অলিভ অয়েলে এর ভালো ফল পেতে তেলটা হলকা গরম করে আপনার মাথার ত্বক ও চুলে ভালো করে লাগিয়ে নিন। এতে আপনার চুলের গোড়া শক্ত করবে এবং চুল পড়া বন্ধ করতে সাহয্য করবে। আপনি যদি মনে করেন তাহলে গোসলের আগে অর্থাৎ শ্যাম্পু করার এক ঘণ্টা আগে বা সারারাত তেলটা রেখে দিলে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়। এর ফলে আপনার চুল নরম, ঝলমলে দেখায়।
অলিভ অয়েল এটা শুষ্ক আর রুক্ষ চুলের জন্য বিশেষ উপকারী, কারণ এটা চুলকে গভীরভাবে পুষ্টি যোগায় ও আদ্রতা ধরে রাখে। আপনার মাথার ত্বক যদি চুলকায় বা অনেক খুশকি থাকে তাহলে এই নিয়মে অলিভ অয়েল ব্যবহার করেন আপনার চুলকানি ভালো হয়ে যাবে এবং খুশকি দুর হয়ে যাবে। অলিভ অয়েলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চুলের আপনার চুলকে সুস্থ ভাবে বেড়ে ওঠার সাহায্য করে। আপনি যদি অলিভ অয়েল তেল ব্যবহারের নিয়ম মেনে প্রতি সপ্তাহে একবার চুলে ব্যবহার করেন তাহলে চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। এতে চুলের আগা ফেটে যাওয়ার সমস্যাও অনেকটা কমে আসে।
ওজন কমাতে অলিভ অয়েলের ব্যবহার
শারীরিক ভাবে আপনার ওজন যদি অনেক বেশি হয়ে থাকে তাহলে অলি অয়েল আপনার ওজন কমাতে সাহয্য করবে। কারণ এতে থাকা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট আপনার ওজন খুব ভালো ভাবে নিয়ন্ত্রন করবে। এর ফ্যাট হজম হয় তারা তারি ও বেশি ক্ষুধা লাগা কমায়। আপনি চাইলে সকালের হালকা নাস্তা বা দুপুরের খাবারের সালাডে নিয়মিত অল্প পরিমাণে অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। অলিভ অয়েল আপনার অস্বাস্থ্যকর ফ্যাট কমাবে আর শরীরকে সুস্থ রাখবে। তবে মনে রাখবেন, এতে ক্যালরি বেশি থাকে, তাই পরিমাণ কম রাখাই ভালো।
অলিভ অয়েল খেলে শরীরের সমস্ত রাসায়নিক প্রক্রিয়া বা হজমের গতি বাড়তে পারে। বিশেষ করে এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েলে থাকা উপাদানগুলো চর্বি কমাতে সাহায্য করে। আরব দেশের মানুষের খাবার অভ্যাসের একটা প্রধান অংশ হলো অলিভ অয়েল। এই ধরনের খাদ্যাভ্যাস দীর্ঘ সময় ধরে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক। সঠিক পরিমাণে নিয়মিত খেলে এটা শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
অলিভ অয়েল দিয়ে স্ক্রাব বা ফেসপ্যাক বানানোর উপায়
অলিভ অয়েলকে নানান প্রাকৃতিক শরীরের ত্বক মুখের ত্বক ও নকের চামড়ার প্রধান উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা যায়। চিনি বা লবণের সাথে অলিভ অয়েল মিশিয়ে একটা বডি স্ক্রাব তৈরি করুন। এই স্ক্রাব ত্বকের মরা কোষ দূর করে ত্বককে নরম করতে সাহায্য করে। এটা স্ক্রাবিং করার সময় ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে, ফলে ত্বক শুষ্ক হয় না। বিশেষ করে গোসলের আগে এটা ব্যবহার করলে ত্বক মসৃণ আর উজ্জ্বল হয়।
যেহেতু এইটা ঘরোয়া স্ক্রাব তাই এটা সহজে তৈরি করা যায় এবং এটা পুরোপুরি প্রাকৃতিক। আপনি এতে সামান্য লেবুর রস বা মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন। স্ক্রাবটা দিয়ে গোল করে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ত্বককে আলতো করে মালিশ করুন। এটা রক্ত চলাচল বাড়াতেও সাহায্য করে এবং ত্বককে সতেজ করে তোলে। নিয়মিত এই স্ক্রাব ব্যবহার করলে আপনার ত্বক সতেজ থাকবে।
বাচ্চাদের ত্বকে মালিশের জন্য অলিভ অয়েল ব্যবহার
ছোট শিশুদের নরম ত্বক যত্ন করার জন্য অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। কারণ এটা শিশুদের জন্য অনেক নিরাপদ। অলিভ অয়েল ব্যবহারের ফলে শিশুর ত্বক নরম থাকে ও সহজে শুষ্ক হয়না। তাই গোসলের আগে কুসুম গরম এই তেল শিশুর ত্বকে মালিশ করলে রক্ত চলাচল বাড়ে। আর শিশুকে দীর্ঘ সময় ডয়াপার পড়ানোর কারণে র্যাশ হয়ে থাকে এই তেলটা র্যাশ কমাতেও সাহায্য করে।
শিশুদের মাসাজের জন্য 'ভার্জিন' বা 'এক্সট্রা ভার্জিন' অলিভ অয়েল ব্যবহার করা ভালো। এটা পুরোপুরি প্রাকৃতিক, তাই এতে কোনো খারাপ রাসায়নিক থাকে না। রাতে মালিশ করলে শিশুর ভালো ঘুম হতেও সাহায্য করে বলে অনেকে মনে করেন। তবে শিশুর যদি কোনো ত্বকের সমস্যা থাকে, তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। শিশুর ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা ধরে রাখার জন্য এটা একটা দারুণ প্রাকৃতিক তেল।
অলিভ অয়েল সংরক্ষণ করার উপায়
যেহেতু অলিভ অয়েল নিয়মিত ব্যবহারের জন্য আমাদের দরকার তাই, অলিভ অয়েলের গুণাগুণ ঠিক রাখতে এটা সঠিক নিয়মে সংরক্ষণ করা জরুরি। তেলটা সব সময় সরাসরি আলো আর গরম থেকে দূরে একটা ঠান্ডা জায়গায় রাখুন। তেলে বাতাশ লাগলে তাড়াতাড়ি নষ্ট হতে পারে, তাই বোতলের মুখ ভালোভাবে বন্ধ রাখুন। তেল সংরক্ষন করার জন্য কাচের বোতল বা টিনের পাত্র ব্যবাহর করলে তেল সবচেয়ে ভালো থাকে। আপনি যদি সঠিকভাবে তেলে কে সংরক্ষন করে রাখতে পারেন তাহলে এর পুষ্টিগুন ও স্বাদ অনেকদিন পর্যন্ত ভালো থাকবে।
আরো পড়ুনঃ ৫ ৬ ইঞ্চি লম্বা হওয়ার উপায়
আপনি যখন অলিভ অয়েল কিনবেন তখন বোতলের গায়ে মেয়াদ বা তৈরির তারিখ দেখে কিনবেন। আর একেবারে বেশি পরিমানে তেল কিনে মজুদ করে রাখবেন না। করণ অল্প পরিমানে তেল কিনে ছোট বোতলে রাখলে তেলের গুনাগুন বেশিদিন ভালো থাকে। অলিভ অয়েল তেল অনেক দিন খোলা থাকলে বা এর স্বাদ গন্ধ পাল্টে গেলে এটা ব্যবহার করবেন না।
উপসংহারঃ অলিভ অয়েল তেল ব্যবহারের নিয়ম
এই পোস্টের মাধ্যমে আমরা জানতে পারলাম যে, অলিভ অয়েল স্বাস্থ্য, ত্বক ও চুলের যত্নে এক অসাধারণ প্রাকৃতিক উপাদান। এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল সালাড, সস বা সরাসরি ব্যবহারের মাধ্যমে হার্ডের ঝুকি কমায় এবং হজমশক্তি বাড়ায়। ত্বক ময়েশ্চারাইজ করা, মেকআপ তোলা এবং চুলকে ঝলমলে ও উজ্জল রাখা এবং রূপচর্চার কাজেও এই তেল অনেক কার্যকর।
আমার মতে, অলিভ অয়েলের অনেক স্বাস্থ্যকর দিকগুলো বিবেচনা করে এটিকে প্রতিদিনের রুটিনে ব্যবাহর করা অত্যন্ত জরুরি। এই তেল কেবল খাবারের স্বাদ বাড়ায় না, বরং এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট আপনার শরীরকে সুস্থ রাখতে অনেক বেশি কাজ করবে। অতএব, ভালো মানের অলিভ অয়েল নিয়ম মেনে ব্যবহার করুন আর সারাজিবন সুস্থ থাকুন।



সার্ভিস আইটির নিয়ম মেনে কমেন্ট করুন প্রত্যেকটা কমেন্টের রিভিউ করা হয়।
comment url