অ্যান্ড্রয়েড থার্ডপার্টি অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপ করার উপায়
কিভাবে ফেসবুকে কন্টেন্ট মনিটাইজেশন পাবেনঅ্যান্ড্রয়েড থার্ডপার্টি অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপ করার উপায়, জানতে চাচ্ছেন,
চলুন জেনে নেওয়া যাক। আজ আমরা এই পোস্টের মাধ্যমে আপনাকে জানিয়ে দিব কিভাবে
অ্যান্ড্রেয়েড থার্ড পার্টি অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপ হিসেবে ইনিস্টল করবেন।
কিভাবে রুট করা ফোনে ম্যাজিস্ক ব্যবহার করে যে কোন APK ফাইলকে স্থায়ীভাবে ইনস্টল
করবেন। রুট ছাড়া সিস্টেম অ্যাপ ইনস্টল করার জটিলতা ও নিরাপত্তা ফাইল পরিবর্তনের
পারমিশনের সঠিক পদ্ধতি এ সকল বিষয় জানতে হলে সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়তে থাকুন।
পোস্ট সূচীপত্রঃ অ্যান্ড্রয়েড থার্ডপার্টি অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপ করার উপায়
- অ্যান্ড্রয়েড থার্ডপার্টি অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপ করার উপায়
- কাজ শুরু করার আগে ফোন রুট করা
- অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপে পরিবর্তন করার মূল ধাপ
- থার্ডপার্টি অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপ বানানোর সুবিধা
- সিস্টেম অ্যাপ বানানোর মারাত্মক ঝুকি ও সীমাবদ্ধতা
- সিস্টেম এপস বানানোর সঠিক উপায় ফোল্ডার বাছাই
- সিস্টেম এপস এর জন্য ফাইল পারমিশন সেটিং
- সিস্টেম এপস থেকে থার্ডপার্টি এপসকে ডিলেট করার উপায়
- থার্ডপার্টি অ্যাপের আপডেট ব্যবস্থাপনা ও সমস্যা
- নিজের ইচ্ছামতো সিস্টেম অ্যাপের ব্যবহার
- গুগল প্লে প্রোটেকশন ও সিস্টেম অ্যাপের সম্পর্ক
- ম্যাজিস্কি মডিউল ব্যবহার করে নিরাপদে অ্যাপ পরিবর্তন
- উপসংহারঃ অ্যান্ড্রয়েড থার্ডপার্টি অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপ করার উপায়
অ্যান্ড্রয়েড থার্ডপার্টি অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপ করার উপায়
অ্যান্ড্রয়েড থার্ডপার্টি অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপ করার উপায় সম্পর্কে জানার জন্য অনেক মানুষের মনে আগ্রহ থাকে, স্মার্টফোন
ব্যবহার করেন, কিন্তু থার্ডপার্টি অ্যাপ ব্যবহার করেন না এমন কাউকে খুজে পাওয়া
কঠিন। আমরা সবাই নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী অসংখ্য অ্যাপ ইন্সটল করি, যা Google
Play Store বা অন্যান্য উৎস থেকে আসে। কিন্তু কখনো কি ভেবেছেন, আপনার পছন্দের
একটি থার্ডপার্টি অ্যাপকে যদি সরাসরি আপনার ফোনের সিস্টেম অ্যাপ হিসেবে ব্যবহার করা যেত এটি সম্ভব, তবে এর সুবিধা যেমন আছে, তেমনি আছে বড় ধরনের
সমস্যাও আছে। এই পোস্টে আমরা অ্যান্ড্রয়েড থার্ডপার্টি অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপ
হিসেবে ইনস্টল করার পদ্ধতি, ইনিস্টল করার পরে কেমন হবে এই নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা
করব।
আমাদের এই পোস্টটি এমন অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ব্যবাহর কারির জন্য, যাদের
অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেমের বেসিক ধারণা রয়েছে এবং যারা নিজেদের ডিভাইসে
কাস্টমাইজেশন করতে ভালোবাসেন। তবে মনে রাখবেন, এই পদ্ধতি ব্যবহার করলে আপনার
ফোনের ওয়ারেন্টি বাতিল হতে পারে, এমনকি ভুল হলে এর কারণে ফোন বাতিল ও হয়ে
যাওয়ার সম্ভবনাও থাকে। এই কাজটি করার আগে আপনাকে অবশ্যই পুরো পদ্ধতিটি ভালোভাবে
বুঝতে হবে এবং নিজের দায়িত্বে করতে হবে। এই পোস্ট টি আমার শুধু মাত্র
শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে তৈরি করা করেছি। আমরা আশা করি, আপনি প্রতিটি ধাপ
অত্যন্ত সতর্কতার সাথে অনুসরণ করবেন।
থার্ডপার্টি অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপ হিসেবে পরিবর্তন করার মূল কারণ হলো সেই
অ্যাপকে বিশেষ কিছু অনুমতি ও সুবিধা দেওয়া, যা সাধারণত ফোনের সাথে আগে থেকেই দেওয়া
অ্যাপগুলো বা কোম্পানির তৈরি অ্যাপগুলোই কেবল পেয়ে থাকে। সিস্টেম
অ্যাপগুলো ডিভাইস রুট না থাকলেও আন-ইন্সটল করা যায় না এবং তারা সাধারণ অ্যাপের
তুলনায় আরও ভেতরের সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করতে পারে। এই ক্ষমতা বা বিশেষ
সুবিধাগুলোর জন্যই বিশেষ ব্যবহারকারী বা ব্লগাররা এই কাজটি করতে খুবই আগ্রহী
হন।
কাজ শুরু করার আগে ফোন রুট করা
থার্ডপার্টি অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপে হিসেবে ইনিস্টল করার জন্য প্রথম এবং সবচেয়ে
গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনকে রুট করে নিশ্চিত হওয়া। রুট
ছাড়া এই ধরণের গভীর সিস্টেম ফাইল পরিবর্তন করা একেবারেই সম্ভব হয়না। রুট করা
ফোন বা ডিভাইসের সমস্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাইপাস করে আপনাকে ফোনের সব কিছুর
ওপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য পারমিশন দেয়। এই ক্ষমতা আপনার ফোনের
ভেতরের সিস্টেম ফাইলগুলো নিজের ইচ্ছেমতো পাল্টাতে পারেন। যেখানে সিস্টেম
অ্যাপগুলো সংরক্ষিত থাকে।
রুট করার প্রক্রিয়া ডিভাইস ভেদে ভিন্ন হতে পারে। বেশিরভাগ সময় ম্যাজিস্ক বা
SuperSU-এর মতো টুলস বা অ্যাপ ব্যবহার করে বুটলোডার আনলক করা হয়। এরপর TWRP-এর
মতো বিশেষ সফটওয়্যার দিয়ে আপনার ফোনটিকে রুট করা হয়। রুট করা একটি জটিল
প্রক্রিয়া এবং এতে ফোনের সমস্ত ডেটা ডিলেট হয়ে যেতে পারে, তাই কাজ শুরু
করার আগে অবশ্যই আপনার গুরুত্বপূর্ণ ফাইল এবং ডেটা ব্যাকআপ করে নিন। একবার রুট
করতে পারলে আপনি সিস্টেম ফাইলগুলির উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পাবেন। মনে রাখবেন,
রুট করার পদ্ধতি সম্পর্কে আপনার সঠিক জ্ঞান না থাকলে এই প্রক্রিয়া শুরু না
করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
রুট করার পুরো প্রক্রিয়ার সময় অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। ভুল ফাইল
পরিবর্তন করা বা অপ্রয়োজনীয় অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপ বানানোর চেষ্টা করা আপনার
ফোনের স্বাভাবিক কাজ করার ক্ষমতোকে নষ্ট করে দিতে পারে, এবং এটি আপনার ফোনের
কাজের গতি কমিয়ে দিতে পারে, ব্যাটারির চার্জ দ্রুত শেষ হতে পারে এবং সবচেয়ে
খারাপ ক্ষেত্রে আপনার ফোনটি অকেজো হয়ে যেতে পারে। তাই, শুধুমাত্র সেই
অ্যাপগুলিকেই সিস্টেম অ্যাপে পরিণত করুন, যেগুলোর জন্য সত্যিই সিস্টেম লেভেলের
সুবিধা প্রয়োজন এবং যেগুলোর সোর্স কোড বা বিশ্বস্ততা নিয়ে আপনার কোনো সন্দেহ
নেই। একটি বিশ্বস্ত ফাইল ম্যানেজার যেমন, Root Explorer এবং একটি ভালো ব্যাকআপ
সবসময় হাতের কাছে রাখুন।
অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপে পরিবর্তন করার মূল ধাপ
ম্যাজিসিক ব্যবহার করে অন্য কোনো অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপ বানানোর পদ্ধতিটি এখন
সবচেয়ে বেশি চলে এবং এটি অনেকটাই নিরাপদ। ম্যাজিসিক হলো এমন একটি রুট
করার উপায়, যা সরাসরি ফোনের ভেতরের আসল সিস্টেম ফাইলগুলোকে না পাল্টে
বরং সিস্টেমের ভেতরের ফাইলগুলোকে সরাসরি না পালটি বাইরে থেকে
পরিবর্তন করে। এর সুবিধা হলো, যখন আপনার ফোনে কোনো নতুন সফটওয়্যার আপডেট
আসে, তখন ঝামেলা হওয়ার ভয় অনেক কমে যায়। এই পদ্ধতিতে আমরা মেজিস্ক-এর একটি
বিশেষ টুল অথবা একটি ফাইল ম্যানেজার ব্যবহার করে অ্যাপটির এপস ফাইলটিকে
সিস্টেমের নির্দিষ্ট ফোল্ডারে সরিয়ে দেব।
প্রথমত, আপনি যে অ্যাপটিকে সিস্টেম অ্যাপ হিসেবে ইনিস্টল করতে চান, সেটির এপস ফাইলটি আপনাকে খুজে বের করতে হবে। অ্যাপটি যদি ইতিমধ্যে আপনার ফোনে ইনস্টল করা
থাকে, তাহলে APK Extractor-এর সাহায্যে সেটির এপস ফাইলটি বের করে নিন। একবার এপস ফাইলটি হাতে আসার পর, আপনার রুট ফাইল ম্যানেজার যেমন Root Explorer ব্যবহার
করে ফাইলটি কপি করুন। এরপরে আপনাকে এই ফাইলটি আপনার ডিভাইসের সিস্টেম এপস বা
সিস্টেম প্রাইভেট এপস ডিরেক্টরিতে পেস্ট করতে হবে।
অ্যান্ড্রয়েড থার্ডপার্টি অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপ করার উপায়, হলো অ্যাপটিকে সিস্টেম অ্যাপ হিসেবে ঠিকমতো চেনানোর জন্য আপনাকে ফাইলের কিছু বিশেষ
অনুমতি বা পারমিশন বদলে দিতে হবে। সিস্টেম ফোল্ডারের ভেতরের ফাইলগুলোর জন্য
পারমিশন যার কোড হলো 644 সেট করতে হয়। এর মানে হলো, যে ব্যবহারকারী
ফাইলটির মালিক, তিনি এটি পড়তে ও পরিবর্তন করতে পারবেন, আর অন্য সবাই শুধু পড়তে
পারবে। যদি এই সঠিক অনুমতি না দেন, তাহলে অ্যাপটি কাজ করবে না বা ফোন চালু
হওয়ার সময় হঠাৎ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই কাজগুলো শেষ করে আপনাকে অবশ্যই আপনার
ফোনটি পুনরায় চালু (রিবুট) করতে হবে। ফোন চালু হওয়ার পর দেখবেন অ্যাপটি আর
ডিলিট করার সুযোগ নেই, যা বোঝাবে এটি এখন একটি আসল সিস্টেম অ্যাপ।
থার্ডপার্টি অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপ বানানোর সুবিধা
একটি থার্ডপার্টি অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপ বানালে সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এর
মাধ্যমে ফোন চালানোর ক্ষমতা বা নিয়ন্ত্রণ অনেক গুনে বেড়ে যায়। সাধারণ এপস
অ্যান্ড্রয়ডের কঠিন নিয়মের মধ্যে থাকে, কিন্তু সিস্টেম অ্যাপ হলে সেই অ্যাপটি
সেইসব বাধা সহজে পার করতে পারে। যেমন মনে করেন, আপনি যদি কোনো এ্যাড-বন্ধ করার
এপস বা ফায়ারওয়াল এপসকে সিস্টেম অ্যাপ করে দেন, তাহলে এটি ফোনের আরও গভীরে
গিয়ে ইন্টারনেট ট্র্যাফিক পরিচালনা করতে পারবে। ফলে এ্যাড বা অপ্রয়োজনীয়
ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করার কাজটা হবে অনেক বেশি শক্তিশালী কাজ করে।
আরেকটি বড় সুবিধা হলো এর স্থায়ী ভাবে ফোনে থেকে যায়, এবং সহজে ডিলিট হয়ে
যায়না। একবার কোনো এপস সিস্টেম এপসে পরিণত হলে, সেটিকে সাধারণ এপসের মতো খুব
সহজে আন-ইন্সটল করা যায় না। এটি ফোনের ভেতরের সিস্টেম অংশের একটা স্থায়ী ফাইল
হয়ে যায়। যারা কাস্টম রোম ব্যবহার করেন এবং কিছু দরকারি অ্যাপকে সব সময়ের জন্য
ফোনে রাখতে চান, তাদের জন্য এই সুবিধাটি খুব কাজের। এর ফলে ফোন ফ্যাক্টরি রিসেট
করলেও বা ভুল করে ডিলেট হলেও অ্যাপটি আপনার ফোনে থেকে যাবে।
সবশেষে, কিছু বিশেষ অ্যাপ আছে যেমন, টাচ সেটিং পরিবর্তন করার টুল, গেমিং
অ্যাপের স্পিড বাড়ানোর এপস বা থিম অ্যাপ যেগুলো ঠিকমতো কাজ করার জন্য সিস্টেমের
ভেতরের বিশেষ অনুমতি চায়। সিস্টেম এপস হলে এই টুলগুলো তাদের পুরো শক্তি দিয়ে
কাজ করতে পারে, যা স্বাভাবিক এপস হিসেবে সম্ভব হয় না। এতে ব্যবহারকারীরা আরও
শক্তিশালী এবং গভীর কাস্টমাইজেশন করার সুযোগ পান। তবে মনে রাখবেন, এই সুবিধা
তখনই মিলবে, যখন এপসটি খুবই বিশ্বস্ত ও সবার কাছে পরিচিত হবে।
সিস্টেম অ্যাপ বানানোর মারাত্মক ঝুকি ও সীমাবদ্ধতা
থার্ডপার্টি অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপে পরিবর্তন করার সুবিধার পাশাপাশি এর
ঝুকিগুলোও কিন্তু অনেক বড়। সবচেয়ে বড় ঝুকি হলো ডিভাইসের সুরক্ষা বা নিরাপত্তা
অনেক দুর্বল হয়ে যাওয়া। একটি সাধারণ বাইরের এপস যদি খারাপ হয়, তবে সেটি শুধু
আপনার কিছু ডেটা দেখতে পারে। কিন্তু সেই খারাপ এপসটি যখন সিস্টেম এপস হয়ে
যায়, তখন সেটি পুরো ফোনের ওপর নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে, যা খুবই বিপজ্জনক। এর
মাধ্যমে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হতে পারে, এমনকি হ্যাকাররা দূর থেকেও আপনার
ফোন নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা পেয়ে যেতে পারে।
সিস্টেম এপস পরিবর্তন করার ফলে আপনার ফোনের স্বাভাবিক গতি নষ্ট হতে পারে।
যদি এপসটি আপনার অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণের সাথে পুরোপুরি না মেলে, তবে ফোন চালু
হওয়ার সময়ই বারবার বন্ধ হতে পারে বা বুটলুপে আটকে যেতে পারে। একটি খারাপভাবে
তৈরি সিস্টেম এপস পুরো ফোনকে স্লো করে দিতে পারে, চার্জ তারা তারি শেষ
করতে পারে এবং নানা ধরনের সমস্যা দেখাতে পারে। সাধারণ ব্যবহারকারীর পক্ষে এই
সমস্যাগুলো খুজে বের করে ঠিক করা খুবই কঠিন।
একবার সিস্টেম এপস হয়ে গেলে এটিকে সরিয়ে ফেলা বা নতুন আপডেট দেওয়া বেশ
ঝামেলার কাজ। প্লে স্টোর থেকে এটি আর নিজে থেকে আপডেট পায় না, এবং এটিকে
ম্যানুয়ালি আপডেট বা ডিলিট করার জন্য আবার সিস্টেমের ভেতরের ফোল্ডারে যেতে
হয়। এছাড়াও, এই কাজ করার কারণে আপনার ডিভাইসের ওয়ারেন্টি সম্পূর্ণ বাতিল হয়ে
যায়। ফোন কোনো সার্ভিস সেন্টারে মেরামত করাতে গেলে তারা রুট করার বা সিস্টেম
ফাইল পরিবর্তন করার বিষয়টি জানতে পারলে আপনাকে সার্ভিস দিতে নাও চাইতে পারে।
সিস্টেম এপস বানানোর সঠিক উপায় ফোল্ডার বাছাই
একটি থার্ডপার্টি এপসকে সিস্টেম এপস বানানোর সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে একটি হলো সেটিকে ডিভাইসের কোন কোন ফাইলে রাখা হবে সিস্টেম এপস নাকি সিস্টেম প্রাইভেট এপস এই দুটি ফাইলের মধ্যে প্রধান
পার্থক্য হলো কতটুকু সুযোগ দেওয়া হবে। সিস্টেম এপস হলো সেই
স্থান যেখানে সাধারণ সিস্টেম এপসগুলো যেমন ক্যালকুলেটর, ক্যালেন্ডার থাকে,
যেগুলোর জন্য বিশেষ কোনো পারমিশন দরকার নেই।
অন্যদিকে, সিস্টেম প্রাইভেট এপস ফোল্ডার সেই এপসগুলোর জন্য সংরক্ষিত,
যাদের সিস্টেম-লেভেলের স্বাক্ষর পারমিশন প্রয়োজন। যেমন সেটিংস এপস, ফোন
এপস বা লঞ্চার। এই এপসগুলো সিস্টেমের গভীরে অ্যাক্সেস পায় এবং বেশি
সুবিধা ভোগ করে। যদি আপনার থার্ডপার্টি এপসটির সত্যিই সিস্টেমের কোর ফাংশনগুলোর
সাথে কাজ করার প্রয়োজন হয়, তবে এটি সিস্টেম প্রাইভেট এপস-এ রাখা উচিত।
তবে, একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখতে হবে, যেকোনো থার্ডপার্টি অ্যাপকে সরাসরি
সিস্টেম প্রাইভেট এপসএ রাখা উচিত নয়। যদি অ্যাপটি সঠিক স্বাক্ষর পারমিশন ছাড়া
সেই ডিরেক্টরিতে থাকে, তবে অ্যান্ড্রয়েড এটিকে নিরাপত্তা ঝুকি হিসেবে দেখতে
পারে। ফলে বুটলুপ বা সিস্টেমের অপ্রত্যাশিত আচরণ হতে পারে। তাই বেশিরভাগ
ক্ষেত্রে, যদি না অ্যাপটির সুস্পষ্টভাবে বিশেষ পারমিশন না লাগে, তবে এটিকে
সিস্টেম এপস ডিরেক্টরিতে রাখাই অপেক্ষাকৃত নিরাপদ।
সিস্টেম এপস এর জন্য ফাইল পারমিশন সেটিং
সিস্টেম ফোল্ডারে এপস ফাইলটি রাখার পরে কিন্তু আপনার কাজ শেষ হয় না। এপসটি যেন
ফোন দিয়ে সঠিকভাবে চেনা যায়, তার জন্য আপনাকে ফাইলের বিশেষ কিছু পারমিশন
অবশ্যই ঠিক করতে হবে। ভুল পারমিশন সেট করলে এপসটি হয়তো কাজই করবে না, অথবা
পুরো ফোন চালু হওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাবে। রুট ফাইল ম্যানেজারের মাধ্যমে
পারমিশন সেটিং-এর অপশনে গিয়ে আপনাকে পড়া, লেখা ও চালানোর জন্য সঠিক ব্যবস্থাটি
করে নিতে হবে।
সিস্টেম এপস ফাইলের জন্য আদর্শ পারমিশন হলো, যাকে কোড বা
সংখ্যায় বলা হয় 644। এর মানে হলো আপনি ফাইলটি পড়তে ও পরিবর্তন করতে পারবেন, আর
অন্যান্য সিস্টেমের অংশ শুধু সেটি পড়তে পারবে। এই পারমিশন ঠিক নিশ্চিত করে যে
অ্যাপটি ফোনের দ্বারা কাজ করার জন্য ভালো কাজ করে, কিন্তু অন্য কেউ এটিকে ভুল
করে পাল্টাতে বা ডিলেট করে ফেলতে পারবে না।
আরো পড়ুনঃ গোলাপ জল মুখে কিভাবে ব্যবহার করব
যদি আপনি রুট ফাইল ম্যানেজারের মাধ্যমে এই পারমিশন ঠিক করতে ভুলে যান এবং ফোন
চালু করেন, তবে আপনার ফোন বারবার চালু হতে থাকবে এবং বুটলুপ সমস্যায় আটকে
যাওয়ার বড় ভয় থাকে। কারণ সিস্টেম এপসটি লোড হওয়ার সময় প্রয়োজনীয় অ্যাক্সেস পাবে
না। এই সমস্যা ঠিক করতে হলে আপনাকে আবার কাস্টম রিকভারি মোডে গিয়ে পারমিশন ঠিক
করতে হবে, যা নতুনদের জন্য খুবই কঠিন। তাই, ফাইলটি সিস্টেমে রাখার সাথে সাথেই
অনুমতি বা পারমিশন সেট করা খুবই দরকারি একটা কাজ।
সিস্টেম এপস থেকে থার্ডপার্টি এপসকে ডিলেট করার উপায়
একবার কোনো এপসকে সিস্টেম এপস এ পরিণত করলে সেটিকে আন-ইন্সটল করার সাধারণ
অপশনটি আর পাওয়া যায় না। আপনার যদি মনে হয় এপসটি সিস্টেমের ক্ষতি করছে বা
এটিকে আর প্রয়োজন নেই, তবে সেটিকে ম্যানুয়ালি ডিলিট করতে হবে। এটি করার জন্য
আপনাকে পুনরায় রুট এক্সেস এবং একটি রুট ফাইল ম্যানেজার ব্যবহার করতে হবে। রুট
ফাইল ম্যানেজারের মাধ্যমে আপনাকে সেই নির্দিষ্ট সিস্টেম এপস বা সিস্টেম
প্রাইভেট এপস ডিরেক্টরিতে যেতে হবে, যেখানে অ্যাপটি রাখা হয়েছিল।
ডিরেক্টরিতে প্রবেশের পর, সেই এপসটির সাথে সম্পর্কিত এপস ফাইল এবং তার ডেটা
ফোল্ডারটি খুজে বের করতে হবে। এপসটির নাম সাধারণত প্যাকেজের নামের সাথে মিলে।
এই ফাইল এবং ফোল্ডার দুটোই আপনাকে সাবধানে ডিলিট করতে হবে। মনে রাখবেন, সিস্টেম
ফাইল ডিলিট করার সময় অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে, ভুলবশত অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ
সিস্টেম ফাইল ডিলেট করে দিলে আপনার ফোন সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর হয়ে যেতে পারে।
ডিলিট করার আগে, যদি সম্ভব হয়, একটি ব্যাকআপ তৈরি করে নেওয়া ভালো।
ফাইলগুলো ডিলিট করার পর, আপনাকে আপনার ফোনটি পুনরায় রিবুট করতে হবে। রিবুট
করার পর এপসটি আর সিস্টেমে লোড হবে না। যদি এপসটি পূর্বে কোনো ডেটা তৈরি করে
থাকে, তবে সেটি সম্ভবত ডাটা ডিরেক্টরিতে থাকবে, যা আপনি সেটিংস থেকে অ্যাপ ডেটা
ক্লিয়ার করার মাধ্যমে ডিলেট করে ফেলতে পারেন। সিস্টেম এপস অপসারণের এই
পদ্ধতিটি সাধারণ আন-ইনিস্টল এর চেয়ে অনেক বেশি জটিল এবং এতে উচ্চ মাত্রার
সতর্কতা প্রয়োজন।
থার্ডপার্টি অ্যাপের আপডেট ব্যবস্থাপনা ও সমস্যা
সিস্টেম এপস এ পরিবর্তন হওয়ার পর, সেই এপসটির আপডেট পাওয়ার পদ্ধতি পরিবর্তন
হয়ে যায় এবং প্রায়শই এটি সমস্যার সৃষ্টি করে। সাধারণত, Google Play Store
স্বয়ংক্রিয়ভাবে এপসটি আপডেট করতে পারে না। কারণ, Play Store-এর মনে হয়
অ্যাপটি ম্যানুয়ালি ইন্সটল করা যাকে সিস্টেমে পরিবর্তন করে ঢুকানো
হয়েছে। তাই, আপডেট ম্যানেজমেন্টের জন্য আপনাকে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে অ্যান্ড্রয়েড থার্ডপার্টি অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপ করার উপায়, অনুসরণ
করতে হবে।
এপসটি আপডেট করার জন্য আপনাকে প্রথমে এটির নতুন আপডেট এপস ফাইল ডাউনলোড
করতে হবে। এটি হয় সরাসরি ডেভেলপার ওয়েবসাইট থেকে বা APKMirror-এর মতো
বিশ্বস্ত সাইট থেকে ডাউনলোড করা যেতে পারে। এরপর আপনাকে রুট ফাইল ম্যানেজার
ব্যবহার করে পুরোনো এপস ফাইলটি নতুন ফাইল দিয়ে আপডেট করতে হবে। এই
আপডেটের সময় আবারও আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে নতুন ফাইলটির পারমিশন 644 সেট
করা হয়েছে।
যদি দেখেন ম্যানুয়াল আপডেটের সময় কোনো ভুল দেখা দেয়, তবে সবচেয়ে নিরাপদ
পদ্ধতি হলো প্রথমে পুরোনো এপসটিকে সিস্টেম ডিরেক্টরি থেকে পুরোপুরি ডিলেট করে
ফেলা, তারপর নতুন এপস ফাইলটিকে সিস্টেমে নতুন করে রাখা। এই প্রক্রিয়ায়
মাঝে মাঝে এপসটির সেটিং বা ডেটা হারিয়ে যেতে পারে। এই কারণেই, সিস্টেম এপস
বানানোর আগে ব্যবহারকারীদের এই ধরণের ম্যানুয়াল ভাবে ঠিক রাখার জন্য প্রস্তুত
থাকতে হবে।
নিজের ইচ্ছামতো সিস্টেম অ্যাপের ব্যবহার
বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীরা প্রায় এমন কিছু বিশেষ কাস্টমাইজেশন
টুল ব্যবহার করতে চান, যা সাধারণ এপস এর সিমা ঠিক রেখে কাজ করতে পারে না।
থার্ডপার্টি এপসকে সিস্টেম এপস করার মাধ্যমে এই কাস্টমাইজেশন টুলগুলোকে
প্রয়োজনীয় ক্ষমতা দেওয়া সম্ভব হয়। যেমন, যদি আপনি আপনার নোটিফিকেশন বার বা
স্ট্যাটাস বারকে নিজের মত করে পরিবর্তন করতে চান, তবে সেই কাস্টমাইজেশন এপসটিকে
সিস্টেম অ্যাপ হিসেবে চালু করতে হয়।
থিম বদলানোর এপসগুলো এর খুব ভালো একটি উদাহরণ। অনেক কাস্টমাইজড থিম বা ফন্ট
মডিউল সরাসরি অ্যান্ড্রয়েডের কোর ডিসপ্লে সিস্টেমের সাথে কাজ করার জন্য
সিস্টেম পারমিশন চায়। সিস্টেম অ্যাপ হলে এতে ফোন খারাপ না হয়ে বা আটকে না গিয়ে
এপস গুলো ঠিকঠাক কাজ করে।, যেমন ডিসপ্লে রেজোলিউশন পরিবর্তন করা, সিস্টেম
ফন্ট পরিবর্তন করা বা লক স্ক্রিন যেভাবে কাজর করে সেটাকে অন্য ভাবে কাজ করা এই
কাজগুলো সাধারণ অ্যাপ মোডে করলে প্রায়শই ক্র্যাশ করে বা কাজ বন্ধ করে দেয়।
এছাড়াও, কিছু উন্নত মানের এপস আছে, যাদের কাজ হলো আপনার ফোনের অনেক কাজ নিজে
থেকেই করে দেওয়া বা স্বয়ংক্রিয় করা। এই এপসগুলো ফোনের ভেতরের নির্দিষ্ট কাজের
ওপর নির্ভর করে ভিতরে চলতে থাকে। সিস্টেম এপস হলে এই এপসগুলো
অ্যান্ড্রয়েডের ব্যাটারি বাচানোর নিয়ম থেকে দূরে থাকে এবং পেছনে একটানা কাজ
চালিয়ে যেতে পারে। এর ফলে, আপনার দেওয়া দরকারি স্বয়ংক্রিয় কাজগুলো সঠিক সময়ে
এবং কোনো ভুল ছাড়া সম্পন্ন হয়। এটা সেসব বিশেষ করে অনেক কাজ একবারে
করার জন্য খুব বড় একটি সুবিধা, যারা ফোনকে নিজেদের মতো করে চালাতে পছন্দ করেন।
গুগল প্লে প্রোটেকশন ও সিস্টেম অ্যাপের সম্পর্ক
আপনার ডিভাইসে একটি থার্ডপার্টি অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপে পরিণত করার পর গুগল
প্লে প্রোটেকশন সেটিকে কীভাবে দেখবে, তা একটি দরকারি প্রশ্ন। সাধারণত Play Protect প্রিলোডেড সিস্টেম অ্যাপগুলো স্ক্যান করে, কিন্তু ম্যানুয়ালি
সিস্টেম ডিরেক্টরিতে ঢোকানো থার্ডপার্টি অ্যাপ নিয়ে এটি সন্দেহ প্রকাশ করতে
পারে। কারণ এই এপসের উৎস প্লে স্টোর নয় এবং এটি সিস্টেমের উচ্চ পারমিশন
ব্যবহার করছে।
যদি আপনি এমন কোনো অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপ বানিয়ে দেন, যা ভালো না বা যার ভেতরে
ক্ষতি করার উপাদান আছে, তবে প্লে প্রোটেক্ট সেটিকে বিপদজনক বলে চিহ্নিত করবে
এবং আপনাকে একটি সতর্কবার্তা দেখাবে। প্লে প্রোটেক্টের ব্যবস্থাটি (অ্যালগরিদম)
তখন দেখবে যে অ্যাপটি ফোনের খুবই জরুরি ফাইলগুলো ঘাঁটছে এবং সেটির কোনো আসল
প্রমাণ বা অফিসিয়াল কোড নেই। ফলে এটি ব্যবহারকারীকে বিপদ সম্পর্কে সাবধান করে।
যদিও এই সাবধানতা বেশিরভাগ সময় ঠিক হয়, কিছু ক্ষেত্রে কিন্তু এটি ভুল সংকেতও
হতে পারে।
এই ধরনের সমস্যা এড়াতে, আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে আপনি শুধুমাত্র বিশ্বাস করা
যায় এবং অনেকে ব্যবহার করে—এমন বাইরের অ্যাপগুলোকেই সিস্টেম অ্যাপ বানাচ্ছেন।
যদি প্লে প্রোটেক্ট বারবার আপনাকে সাবধান করে, তবে সেই অ্যাপটিকে সিস্টেম
ফোল্ডার থেকে তাড়াতাড়ি মুছে ফেলাই বুদ্ধিমানের কাজ। মনে রাখবেন, সিস্টেম
অ্যাপে পরিবর্তন করার মাধ্যমে আপনি প্লে প্রোটেক্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ
নিরাপত্তা ধাপকে এড়িয়ে যাচ্ছেন, তাই অ্যাপটি বিশ্বস্ত কিনা তা নিজের
দায়িত্বে খুব ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া দরকার।
ম্যাজিস্কি মডিউল ব্যবহার করে নিরাপদে অ্যাপ পরিবর্তন
যেমনটি শুরুতে উল্লেখ করা হয়েছে, ম্যাজিস্কি ব্যবহার করে সিস্টেম লেসভাবে রুট
করা সবচেয়ে আধুনিক এবং নিরাপদ পদ্ধতি। ম্যাজিসিক এর একটি বিশেষ ক্ষমতা হলো
মডিউল ব্যবহার করা, যা ব্যবহারকারীকে সরাসরি সিস্টেম পার্টিশন পরিবর্তন না করেই
সিস্টেম-লেভেলের পরিবর্তন করার সুযোগ দেয়। এপস সিস্টেমাইজার বা এ ধরণের
অন্যান্য ম্যাজিসিক মডিউলগুলো এই কাজের জন্য খুবই উপযোগী।
এই ধরণের মডিউল ব্যবহার করে এপসকে সিস্টেম এপসে পরিণত করার সুবিধা হলো এটি
ভার্চুয়ালভাবে পরিবর্তনটি করে। ফলে যদি কোনো সমস্যা হয় বা ফোন বুটলুপে চলে
যায়, তবে আপনি সহজেই ম্যাজিসিক রিকভারি মোডে গিয়ে সেই মডিউলটি বাদ দিতে
পারেন। এতে আপনার আসল সিস্টেম ফাইলগুলো সুরক্ষিত থাকে এবং ফোনটি একেবারে নষ্ট
হয়ে যাওয়ার ভয় কমে যায়। এটি সরাসরি ফাইল ম্যানেজার ব্যবহার করে সিস্টেম
ফাইল পরিবর্তনের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ।
আরো পড়ুনঃ সিঙ্গাপুর কাজের ভিসা কত টাকা
মডিউল ব্যবহার করার জন্য আপনাকে সাধারণত ম্যাজিসিক ম্যানেজারের মাধ্যমে
মডিউলটি ডাউনলোড ও ইন্সটল করতে হবে। এরপর মডিউলের নির্দেশিকা অনুযায়ী
টার্মিনাল এমুলেটর বা কাস্টম কোড ব্যবহার করে আপনার পছন্দের এপসটিকে সিস্টেম
অ্যাপ হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। এই পদ্ধতিটি কিছুটা টেকনিক্যাল হলেও এটি বেশি
দিন ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে ভালো উপায়, কারণ এটি আপডেট ইনস্টলেশনের
সাথেও তুলনামূলকভাবে ভালো কাজ করে।
উপসংহারঃ অ্যান্ড্রয়েড থার্ডপার্টি অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপ করার উপায়
অ্যান্ড্রয়েড থার্ডপার্টি অ্যাপকে সিস্টেম অ্যাপে পরিণত করার পুরো
প্রক্রিয়াটি নিঃসন্দেহে বিশেষ ব্যবহারকারীদের জন্য এক ভালো সুযোগ নিয়ে আসে।
আমরা এই পোস্টে দেখেছি যে কীভাবে ম্যাজিসিক-এর মতো টুল ব্যবহার করে রুট
এক্সেসের মাধ্যমে এপসকে সিস্টেম ফোল্ডারে সরানো যায়।এই পরিবর্তনের ফলে এপসগুলো
ফোনের গভীরে প্রবেশ করার বিশেষ ক্ষমতা পায়, যা তাদের স্থায়ীভাবে থাকা এবং
উন্নত কাস্টমাইজেশনের সুযোগ দেয়। তবে এই সুবিধার পাশাপাশি অনেক ঝুকি যেমন,
নিরাপত্তা দুর্বল হওয়া, ফোন স্লো হয়ে যাওয়া এবং ওয়ারেন্টি বাতিল হওয়ার মতো
বিষয়গুলো খেয়াল রাখা খুব জরুরি। সঠিক ফোল্ডার নির্বাচন পারমিশন সেট করা এই
কাজটি অনেক গুরুত্বপূর্ন
ও খুব সাবধান কাজ। তাই এই কাজটি মনযোগ দিয়ে করতে হবে।
একজন লেখক বা ব্লগার হিসেবে আমি আপনাদের বলতে চাই, এই প্রযুক্তিগত জ্ঞান
ব্যবহার করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সাবধানের সাথে করবেন। কারণ সিস্টেম ফাইল
পরিবর্তন করার ক্ষমতা আপনার ফোনকে আরও শক্তিশালী করে, কিন্তু যদি এই কাজ কতে
গিয়ে আপনি কোন রকম ভুল করে থাকেন, তাহলে আপনার মোবাইল ফোন বাতিল হয়ে যেতে পারে।
আমার পরামর্শ হলো খুব দরকারি এপস গুলোকেই সিস্টেম এপস হিসেবে ব্যবহার করা
ভালো।



সার্ভিস আইটির নিয়ম মেনে কমেন্ট করুন প্রত্যেকটা কমেন্টের রিভিউ করা হয়।
comment url