২১ নভেম্বর কি দিবস - ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবস
অনলাইনে ট্রেনের টিকিট ক্রয়২১ নভেম্বর কি দিবস যানতে চাচ্ছেন আসুন জেনে নেওয়া যাক। আসছে ২১ শে নভেম্বর
সশস্ত্র বাহিনী দিবস ২০২৫। ১৯৭১ সালের ২১শে নভেম্বর কেন সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালন
করা হয়? সেনা, নৌ আর বিমান বাহিনীর ঐতিহাসিক হামলার গল্প জানুন।
১৯৭১ সালের সেই ঐতিহাসিক ২১শে নভেম্বর বাংলাদেশ এক রাতে সেনা, নৌ, বিমান বাহিনী
মিলে কিভাবে যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিল? আমাদের বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সেই সাহসীকতা আর
ত্যাগের গল্প জানতে পুরো পোস্টটি পড়তে থাকুন।
পোস্ট সূচীপত্রঃ ২১ নভেম্বর কি দিবস
- ২১ নভেম্বর কি দিবস
- ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবস
- সশস্ত্র বাহিনী দিবস এর তাৎপর্য ও ইতিহাস
- ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর কি হয়েছিল
- সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে কর্মসূচি
- বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিষ্ঠা দিবস
- মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর যৌথ নেতৃত্বের গুরুত্ব
- মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর যৌথ নেতৃত্বের গুরুত্ব
- উপসংহারঃ ২১ নভেম্বর কি দিবস
২১ নভেম্বর কি দিবস
২১ নভেম্বর কি দিবস, আমরা জানি যে ২১ নভেম্বর দিবস সশস্ত্র বাহিনী দিবস।
তাই এই দিনটা আমাদের দেশের জাতীয় জীবনে একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ দিন। আমাদের
বাংলাদেশে প্রতি বছর ২১ নভেম্বর এই দিনটা আমরা খুবই শ্রদ্ধা আর উৎসাহের সাথে
পালন করি। আর এই দিনটা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের এক ঐতিহাসিক স্মৃতি আর পুরো
জাতির জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। এই দিনে আমরা গভীর শ্রদ্ধায় দেশের জন্য জীবন
দেওয়া রক্তক্ষয়ী বীর শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করি। এই বিশেষ উপলক্ষে বাংলাদেশ
সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতাটা জানাই। মূলত এই কারনে এই দিনটা
সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত হয়।
১৯৭১ সালের ২১ শে নভেম্বর এই দিনে বাংলাদেশের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী একজোট
হয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে শক্তিশালী আক্রমণ শুরু করেছিল। এই
একজোট হামলা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের গতিপথ অনেক সহজ করে দেয় এবং আমাদের
বাংলাদেশের বিজয়কে দ্রুত নিশ্চিত করে। এই দিবসটা সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের
সাহসিকতা ও অদম্য দেশপ্রেমের প্রতীক। দেশের স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্ব রক্ষায়
তাদের অঙ্গীকারের প্রতিচ্ছবি হলো এই দিন, যা সশস্ত্র বাহিনী দিবস।
২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবস
নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবস কেন পালিত হয়। ২১ নভেম্বর দিনটিকে সশস্ত্র বাহিনী
দিবস হিসেবে পালনের মূল কারণ হলো ১৯৭১ সালের এই দিনে ঘটে যাওয়া এক ঐতিহাসিক
ঘটনা। এই দিনে আমাদের বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর তিনটি শাখা সেনা বাহিনী, নৌ
বাহিনী ও বিমান বাহিনী একসাথে পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণ শুরু
করে। এই সম্মিলিত সামরিক পদক্ষেপ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সফল ভাবে পরাজিত
করতে সক্ষম হয়। এই আক্রমণের ফলেই আমাদের বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের
গতি অনেক বেড়ে যায়। তাই, এই সাহসী কাজকে সম্মান দেখাতে দিনটি পালন করা হয়।
আরো পড়ুনঃ ৫ ৬ ইঞ্চি লম্বা হওয়ার উপায়
২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবসটি কেবল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা স্মরণ করা নয়, এটি
আমাদের বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর প্রতি জাতির সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন। ২১ শে
নভেম্বর এই দিনে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর মধ্যে থাকা চমৎকার ঐক্য ও এই দিন
তাদের কাজের প্রতি নিষ্ঠা ও দক্ষতার কথাই তুলে ধরে। এটি সশস্ত্র বাহিনীর
সদস্যদের দেশপ্রেম আর আত্মত্যাগের প্রতিচ্ছবি। এই দিবস পালনের মাধ্যমে জাতি তার
স্বাধীনতার জন্য সামরিক বাহিনীর অবদানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করে নেয়। এর
এটাই হলো সশস্ত্র বাহিনী দিবস।
সশস্ত্র বাহিনী দিবস এর তাৎপর্য ও ইতিহাস
সশস্ত্র বাহিনী দিবসকে আমরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সম্পূর্ণ ভাবে তৈরি হয়ে ওঠার
দিন বলে মনে করি। মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই আমাদের সামরিক বাহিনীর
বাঙালি সৈনিকেরা মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিতে থাকেন। কিন্তু ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বরই
এই দিনে সকল বিচ্ছিন্ন দলগুলো এক হয়ে একটি শক্তিশালী ও গোছানো সামরিক বাহিনী
হিসেবে নিজেদের তুলে ধরে। এই দিনটা বুঝিয়ে দিয়েছিল যে বাংলাদেশের সামরিক
ব্যবস্থা এখন শত্রুকে হারাতে পুরোপুরি তৈরি। আর এটাই ছিল স্বাধীনতা পাওয়ার পথে
আমাদের জন্য খুব বড় একটি পদক্ষেপ।
আরো পড়ুনঃ গোলাপ জল মুখে কিভাবে ব্যবহার করব
তা্ই ২১ শে নভেম্বরের এই দিনটি আমাদের জাতীয় জীবনে অনেক গভীর তাৎপর্য মূলক।
দিবসটি সশস্ত্র বাহিনীর সকল শহীদ সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা এবং বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি
পাওয়া শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দিন। এটি আমাদের বর্তমান সামরিক সদস্যদের
তাদের ২১ শে নভেম্বরের বীরদের বীরত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়। এই দিনটি মনে
করিয়ে দেয় যে, সামরিক বাহিনী আমাদের দেশকে রক্ষা করার জন্য সবসময় প্রস্তুত।
এটি সকল দেশপ্রেমিক নাগরিকের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।
১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর কি হয়েছিল
১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর সকল সামরিক বাহিনী স্থল, জল ও আকাশপথে একযোগে আক্রমণ
শুরু করে। এই আক্রমণের ফলে পাকিস্থানের শত্রুরা কোনো দিক থেকেই প্রতিরোধ করতে
পারছিল না। নৌ বাহিনীর কমান্ডোরা সফলভাবে পাকবাহিনীর অনেক জাহাজ ডুবিয়ে
গুরুত্বপূর্ণ বন্দরগুলোতে অবরোধ তৈরি করে। অন্যদিকে, বিমান বাহিনীও সীমিত শক্তি
নিয়েই শত্রুর ঘাটিতে আঘাত হানে। এই তিন দিক থেকে সমন্বিত আক্রমণ ছিল
মুক্তিযুদ্ধের একটি চূড়ান্ত সামরিক কৌশল।
আমাদের বাংলাদেশের তিন বাহিনীর এই দিনের আক্রমণের ফলে পাক হানাদার বাহিনীর
মনোবল পুরোপুরি ভেঙে যায়। তারা বুঝতে পারে, তাদের সামরিক শক্তি আর বাংলাদেশের
সম্মিলিত শক্তির কাছে আর পারবে না। এই সফল আক্রমণটি মাত্র কিছু দিনের মধ্যেই ১৬
ডিসেম্বরের চূড়ান্ত সেই কাঙ্খিত বিজয়কে নিশ্চিত করে। এই দিনের সামরিক জয় সারা
পৃথিবীর নজর কাড়ে। আমরা অনেকে গুগলকে প্রশ্ন করি, ২১ নভেম্বর কি দিবস মূলত এটাই হচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী দিবস। ২১ নভেম্বরের এই ঘটনা খুব তাড়াতাড়ি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পথ
সহজ করে দেয়।
সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে কর্মসূচি
সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির আয়োজন করা
হয়। এই দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সকালে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে
শ্রদ্ধা জানানো। দেশের রাষ্ট্রপতি আর প্রধানমন্ত্রী শহীদ বীরদের প্রতি এই বিশেষ
সম্মান দেখান। এছাড়া তিন বাহিনীর প্রধানগণ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে এবং
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এই কর্মসূচিগুলো সামরিক বাহিনীর
প্রতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মান নিশ্চিত করে।
প্রধানমন্ত্রী প্রতি বছর এই দিনটিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের পরিবারের
সদস্যদের বিশেষভাবে সম্মান জানান। দেশের সব ক্যান্টনমেন্ট, নৌ ও বিমান ঘাটিতে
বিশেষ প্রার্থনা মিলাদ মাহফিল আয়োজন করা হয়। নৌবাহিনীর লড়াইয়ের জাহাজগুলো
কিছু জায়গায় সাধারণ মানুষ যেন দেখতে পারে, তার জন্য খোলা রাখা হয়। খবরের কাগজে
বিশেষ পাতা বের করে এবং টিভিতে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করে সাধারণ মানুষকেও এই
দিনের গুরুত্ব বোঝানো হয়।
বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিষ্ঠা দিবস
বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর জন্ম হয়েছিল ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে।
যদিও ২১ নভেম্বরকে সম্মিলিত আক্রমণের দিন ধরা হয়, এটিই ছিল একটি স্বাধীন দেশের
নিজস্ব ও তিন বাহিনীর যৌথ উদ্দ্যেগে প্রতীকি বা প্রতিষ্ঠা দিবস। আমরা যানি মহান
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালিন সময় বিভিন্ন সেক্টরে ভাগ করে দিয়েছিল ব্রিগেড কিন্ত ২১
নভেম্বর এর এই দিনে সেন্ নৌ ও বিমান বাহিনী একসাথে তাদের সামরিক সক্ষমতা দেখায়।
এই ঘটনা থেকে শুরু হয় বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন এক দিগন্তের সূচনা। দিগন্তের
সূচনা করে।
আরো পড়ুনঃ কিভাবে ফেসবুকে কন্টেন্ট মনিটাইজেশন পাবেন
২১ নভেম্বর কি দিবস, ২১ শে নভেম্বর হলো আমাদের সশস্ত্র বাহিনী দিবস। নভেম্বরের এই দিবসটি আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর ভবিষ্যৎ দায়িত্ব ও কর্তব্যকেও
স্মরণ করিয়ে দেয়। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী এখন কেবল দেশ রক্ষায় নয়, বরং
বর্তমানে জাতিসংঘ শান্তি মিশনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সশস্ত্র দিবসটি
তাদের পেশাদারিত্ব ও আধুনিকীকরণের প্রতি গুরুত্ব দেয়। ২১ নভেম্বরের চেতনা
আমাদের দেশের সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের নিরাপত্তাকে সুরক্ষিত রাখার জন্য একটি
স্থায়ী অঙ্গীকার হিসেবে কাজ করে।
মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর যৌথ নেতৃত্বের গুরুত্ব
১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বরে সেনা বাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর যৌথ উদ্দ্যেগে যে
সাফল্য এসেছিল, তার পেছনে প্রধান কারণ ছিল তিন বাহিনীর সুসংগঠিত যৌথ নেতৃত্ব।
আলাদা ভাবে যুদ্ধ করার চেয়ে একটি কমান্ডের অধীনে কাজ করা ছিল সময়ের দাবি। এই যৌথ
কমান্ডের কারণে সামরিক অভিযানগুলো আরও বেশি কার্যকর ও তারা তারি জয়লাভ সম্পন্ন
হয়েছিল। এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে, কৌশলগত এক জোট হয়ে কাজ করা কঠিন যুদ্ধে
বিজয়ের চাবিকাঠি। এই যৌথ নেতৃত্বই আমাদের সামরিক ইতিহাসের একটি উজ্জ্বল দিক।
২১ শে নভেম্বর এর এই যৌথ আক্রমণের মধ্য দিয়েই প্রমাণিত হয় যে, বাংলাদেশের
সামরিক বাহিনী একসাথে কাজ করতে সক্ষম। তিনটি বাহিনীর মধ্যে এই সমন্বয় শত্রুকে
কোনো সুযোগ দেয়নি। এই তিন বাহিনী এক হওয়ার কারণে পাকিস্থানী পাক হানাদার বাহিনী
যুদ্ধের ময়দানে দিশেহারা হয়ে পড়ে। এই সামরিক সমন্বয় শুধু ১৯৭১ সালের বিজয়
নিশ্চিত করেনি, বরং এটি ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্তিশালী সামরিক কাঠামোর ভিত্তি
তৈরি করেছিল। তাই এই যৌথ নেতৃত্বের গুরুত্ব অপরিসীম।
স্বাধীনতা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর বর্তমান ভূমিকা
আমাদের বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী শুধু দেশের সীমান্ত পাহারাতেই ব্যস্ত থাকে
না, বরং তারা দেশের ভেতরেও খুব জরুরি ও কঠিন কঠিন কাজগুলো করে। বন্যা
ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্য কোনো বিপদে আপদে তারা খুব তারা তারি
জনগনকে সহায্য করে। তাছাড়া, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে যোগ দিয়ে তারা সারা
দুনিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে দারুণ ভূমিকা রাখছে। তাদের এই আন্তর্জাতিক
অংশগ্রহণ বাংলাদেশের সুনাম ও সম্মান আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তাই সশস্ত্র বাহিনী
এখন শুধু দেশ বাচায় না, তারা এখন সারা বিশ্বে শান্তির জন্য অনেক কঠোর পরিশ্রম
করে।
সশস্ত্র বাহিনী তাদের কাজের উন্নতি ও অধুনিক যুগের সাথে তালি মিলিয়ে তাদের কাজ
কর্ম সাজাচ্ছে। তারা এখন শুধু বসে থাকেনা তাদের ডিউটির পাশা পাশি নিয়মিত
প্র্যাকটিস ও নিজেদের সক্ষমতা বাড়িয়ে চলছে, যাতে যেকোনো নতুন চ্যালেঞ্জ এলে
সেটা সামলাতে পারে। দেশের স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্বকে টিকিয়ে রাখতে তারা
সবসময় অনেক সর্তক থাকে।
উপসংহারঃ ২১ নভেম্বর কি দিবস
এই পোস্টের মাধ্যমে আমরা জানতে পারলাম ২১ শে নভেম্বর কি দিবস এবং সশস্ত্র বাহিনী
দিবস-এর ঐতিহাসিক পটভূমি, তাৎপর্য এবং এর উদযাপনের গুরুত্ব। ১৯৭১ সালের এই দিনে
বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর তিনটি শাখা সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান
বাহিনী একজোট হয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যে ঐতিহাসিক ও
সম্মিলিত আক্রমণ শুরু করেছিল, এই ঘটনাই ছিল মুক্তিযুদ্ধের বিজয়কে দ্রুত এগিয়ে
নিয়ে যাওয়ার প্রধান শক্তি। এই দিবসটি মূলত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের
সাহসিকতা, এটি হলো আত্মদান এবং সেনাদের একতার প্রতীক। এর মাধ্যমে জাতি তার
স্বাধীনতার জন্য সামরিক বাহিনীর অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে এবং এর মাধ্যমে
বর্তমান সশস্ত্র বাহিনীর দক্ষতা ও বিশ্ব শান্তিরক্ষার কাজকে সম্মান জানানো হয়।
আমার মতে, ২১শে নভেম্বরের এই হামলাটা শুধু যে তাড়াতাড়ি জিত এনেছিল তা না, এটা
আমাদের বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর গোড়াও শক্ত করে দিয়েছিল। এই দিনটা মনে
করিয়ে দেয় যে, যতই কঠিন সময় আসুক না কেন, সবাই মিলে এক থাকলে আর বুদ্ধি করে
চললে জেতা সম্ভব। সশস্ত্র বাহিনী দিবস এখন শুধু পুরোনো কথা মনে করায় না, এই
সাহস নিয়েই আমাদের সামরিক বাহিনী এখন দেশের ভেতরে জরুরি কাজ করছে, আর সারা
দুনিয়ায় শান্তি ফেরানোর কাজে গিয়ে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করছে।
প্রিয় পাঠক এই পোস্ট সমন্ধে যদি আপনার কোন মতামত থেকে থাকে তাহলে কমেন্টে বক্সে
কমেন্ট করুন।


সার্ভিস আইটির নিয়ম মেনে কমেন্ট করুন প্রত্যেকটা কমেন্টের রিভিউ করা হয়।
comment url