পেটে অতিরিক্ত গ্যাস হলে করণীয় কি - দ্রুত পেটের গ্যাস কমানোর উপায়

বাংলাদেশ থেকে ইতালি যেতে কত টাকা লাগেপেটে অতিরিক্ত গ্যাস হলে করণীয় কি? অস্বস্তিকর পেট ফাপা থেকে মুক্তি চান? জেনে নিন আপনার দৈনন্দিন খাদ্যভ্যাস ও লাইফ স্টাইলে কী কী জরুরি পরিবর্তন আনলে সহজে গ্যাস থেকে আরাম পাবেন। 

পেটে-অতিরিক্ত-গ্যাস-হলে-করণীয়-কি

গ্যাস সৃষ্টিকারী খাবারগুলিকে চিহ্নিত করুন এবং স্থায়ীভাবে আরাম পাওয়ার সেরা উপায়গুলি আবিষ্কার করুন। আর নয় অস্বস্তি, আজই গ্যাসের সমস্যা কমানোর কার্যকর কৌশল জানতে সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ুন।

পোস্ট সূচীপত্রঃ পেটে অতিরিক্ত গ্যাস হলে করণীয় কি 

পেটে অতিরিক্ত গ্যাস হলে করণীয় কি

পেটে অতিরিক্ত গ্যাস হলে করণীয় কি, পেটে অনেক গ্যাস হওয়অ একটি খুবই সাধাণ সমস্যা যেটা আমাদের অনেক সময় পেটে অনেক ব্যথা ও পেট ফাপার কারণ হয়। এই সমস্যা নিয়ন্ত্রনে আনতে হলে সবার আগে আপনার খাওয়া দাওয়া আর অভ্যাসের কিছু ছোট খাটো পরিবর্তন আনা দরকার। খাবার খাওয়ার সময় তাড়াহুড়ো না করে ধীরে ধীরে ভালো করে চিবিয়ে খেলে গ্যাসের সমস্যা অনেকটাই কমে যায়, কারণ এতে হজমের কাজটা সহজ হয়। 

এছাড়া কোমন পানীয়, মোটরশুটি, বাধাকপি ব্রকলির মতেো যেসব খাবার গ্যাস তৈরি করে সেগুলো চিহ্নিত করে বাদ দিন। এতে করে আপনার গ্যাসের চাপ অনেক কমে যাবে। আার গ্যাসের চাপ যদি কমাতে চান তাহলে হালকা ব্যয়াম সহ হাটা চলার অভ্যাস করেন তাহলে হজম ভালো হবে গ্যাস কম হবে। যদি দেখেন গ্যাসের সমস্যা প্রতিদিন হচ্ছে তাহলে ফার্মেসি থেকে সাধারন ঔষধ ব্যবহার করতে পারেন। 

পারলে বাড়িতেও কিছু নিয়মে গ্যাস থেকে মুক্তি পেতে পারেন যেমন, আদা, জোয়ান বা পুদিনা পাতা দিয়ে চা করে খেতে পারলে আপনার গ্যাস ভালো হওয়ার সম্ভবনা থাকে। ফার্মেসিতে এখন ইনো পাওয়া যায় এই টা এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে পান করতে পারলে আপনার গ্যাস ভালো হতে পারে। যদি দেখে এতেও কাজ হচ্ছে না তাহলে যত তারা তারি সম্ভব একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন। কারণ অনেক দিন ব্যথা অন্য কোন রোগের লক্ষন হতে পারে।

পেটের গ্যাস কমানোর ঘরোয়া উপায় অবলম্বন

পেটে অতিরিক্ত গ্যাস হলে করণীয় কি বা ঘরোয়া ভাবে কি করবেন ভাবছেন। পেটের গ্যাস কমানোর জন্য কিছু সহজ পদ্ধতি বা ঘরোয়া উপায় কাজে আসতে পারে। এই উপায় সাধারণত গ্যাস নিরাপদ এবং আরাম দিতে সহায্য করে। আপনি যদি সঠিক সময়ে সঠিক নিয়মে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করেন তাহলে গ্যাসের সমস্যা তারাতারি ভালো হতে পারে। খাবার খাওয়ার পরে আদা বা জোয়ান চিবিয়ে খান। গরম পানিতে হিং মিশিয়ে খেলে ভালো উপকারিতা পাওয়া যায়। 

মৌরি বা জিরা পানি পান করলে গ্যাসের সমস্যা ও পেট ফাপা কমে। পেটে হালকা গরম পানির সেক দিলে গ্যাসরে সমস্যা দুর হতে পারে। পুদিনা পাতার চা পান করলে হজম ভালো হয়। এতে আপনার পেটের অতিরিত্ত গ্যাস উপসম করতে সাহায্য করবে। আর আপনি আপনার প্রতিদিনের খাবারে কিছু অভ্যাসের পরিবর্তন করতে পারলে গ্যাসের সমস্যা নিয়ন্ত্রন করতে পারেন।


যেমন খাবার খাওয়ার সময় পর্যাপ্ত পরিমানে পানি পান করলে হজম ভালো হয়। এতে গ্যাস কমাতে সাহায্য করে। আর খাবার মনোযোগ সহকারে ভালো করে চিবিয়ে খান। খাওয়ার সময় অতিরিক্ত কথা না বলা বা অতিরিক্ত পানি পান করা থেকে বিরত থাকুন। খাবার খাওয়ার সাথে সাথে শুয়ে না দিয়ে কিছুক্ষন হাটুন। নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করলে অতিরিক্ত গ্যাস ভালো হতে পারে।

পেটে গ্যাস হলে খাদ্য তালিকা কেমন হবে

পেটে গ্যাসের সমস্যা থাকলে খাদ্য তালিকায় কিছু পরিবর্তন আনা জরুরি। কিছু খাবার গ্যাস উৎপাদন বাড়িয়ে তোল, আবার কিছু খাবার হজমে সহায়তা করে। সঠিক খাদ্য নির্বাচন গ্যাসের সমস্যা কমাতে পারে। ডাল, বাঁধাকপি, ব্রকলি, এবং অতিরিক্ত ফাইবারযুক্ত সবজি মেপে খান। সোডা, কার্বনেটেড ড্রিংকস এবং কৃত্রিম মিষ্টিযুক্ত পানীয় খাওয়া এড়িয়ে চলুন। 

দুধ এবং দুধে তৈরি খাবার বাদ দিন, যদি আপনার ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতা থাকে। পেয়াজ ও রসুনের মতো গ্যাস সৃষ্টিকারী জিনিসগুলো কম খান। ফ্যাটযুক্ত এবং ভাজাভুজি খাবার হজমে বেশি সময় নেয়, তাই সেগুলো এড়িয়ে চলুন। গ্যাসের সমস্যা কমাতে হজমে সহায়ক এবং কম গ্যাস তৈরি করে এমন খাবারগুলোকে আগে রাখুন। প্রোবায়োটিকযুক্ত খাবার অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

 খাদ্যতালিকায় টক দই, কেফির বা অন্যান্য প্রোবায়োটিক যোগ করুন। আদা, হলুদ এবং দারুচিনির মতো মশলা হজমে সাহায্য করে। কলা, পেপে এবং সেদ্ধ সবজির মতো সহজে হজম হয় এমন খাবার খান। অল্প অল্প করে বারে বারে খাবার খান, একবারে বেশি খাবেন না। গ্যাস হয় না এমন ফল ও সবজির একটা তালিকা তৈরি করে সেটা মেনে চলুন।

পেটে গ্যাস জমা হওয়ার কারণ ও প্রতিকার

পেটে গ্যাস জমা হওয়ার অনেক কারণ থাকতে পারে, যার মধ্যে অতিরিক্ত খাবার খেলে, অতিরিক্ত বাতাস গিলে ফেলা এবং হজমের সমস্যা প্রধান। কারণগুলো চিনতে পারলে প্রতিকার করা সহজ হয়। দ্রুত খাবার খাওয়া বা কোমল পানীয় খাওয়া খাওয়ার করার সময় অতিরিক্ত বাতাস গিলে ফেলা একটা প্রধান কারণ। কিছু খাবারে থাকা ফাইবার বা শর্করা পেটের ব্যাকটেরিয়া দ্বারা গাজন হয়। অনেক দিনের পুরোনো সমস্যা থাকলে গ্যাস হতে পারে। মানসিক চাপ বা উদ্বেগ হজম প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে। ধূমপান বা চুইংগাম চিবানোর অভ্যাস থাকলেও গ্যাস বাড়ে।
পেটে-অতিরিক্ত-গ্যাস-হলে-করণীয়-কি
গ্যাসের কারণ চিহ্নিত করার পর সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। লাইফ স্টাইল এবং খাদ্য অভ্যাসে পরিবর্তন এনে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই সমস্যার সমাধান করা যায়। গ্যাস সৃষ্টিকারী অভ্যাসগুলি, যেমন দ্রুত খাওয়া পরিহার করুন। নিয়মিত ব্যায়াম করে হজম প্রক্রিয়াকে সক্রিয় রাখুন। মানসিক চাপ কমানোর জন্য যোগ ব্যায়াম করুন। প্রোটিন যুক্ত খাবার খান। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শে হজম সহায়ক এনজাইম সাপ্লিমেন্ট নিন।

গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তির সহজ উপায়

গ্যাসের সমস্যা থেকে স্থায়ী মুক্তি পেতে হলে আপনাকে আপনার খাবার এবং লাইফ স্টাইল সামগ্রিক পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। সহজ এবং কার্যকর কিছু পদক্ষেপ নিয়মিত অনুসরণ করলে গ্যাসের সমস্যা অনেক কমে আসে। খাবার খাওয়ার সময় তাড়াহুড়ো না করে ধীরে ধীরে পর্যাপ্ত সময় দিন। প্রতিদিন একই সময়ে খাবার খাওয়ার একটা রুটিন তৈরি করুন। খাওয়ার মাঝে বা পরে অল্প সময়ের জন্য হালকা হাটাহাটি করুন। খাবারের পরিমাণের দিকে মনোযোগ দিন, অল্প পরিমাণে বারে বারে খান। পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম এবং বিশ্রাম নিশ্চিত করুন।


প্রাকৃতিক উপায়ে গ্যাসের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা স্বাস্থ্যকর এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন। নিয়মিত এই অভ্যাসগুলো বজায় রাখলে পাচনতন্ত্র সুস্থ থাকে। আদা, মৌরি বা জোয়ানের মতো হজমে সহায্যকারী উপাদান হাতের কাছে রাখুন। আপনার পায়খানার সমস্যা যাতে না হয়, তার জন্য ফাইবার এবং পানি পান করুন। মানসিক চাপ কমাতে নিয়মিত পছন্দের কাজগুলি করুন। ধূমপান এবং অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান করা থেকে বিরত থাকুন। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নির্দিষ্ট ওষুধ গ্রহণ করুন।

গ্যাসের কারণে পেট ব্যথা হলে কি করবেন

গ্যাসের কারণে পেট ব্যথা একটা সাধারণ ব্যাপার হলেও এটা একটা অস্বস্তিকর উপসর্গ। দ্রুত আরাম পাওয়ার জন্য কিছু তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। এই ব্যথা সাধারণত গ্যাসের নড়াচড়ার কারণে হয়ে থাকে। হাটু ভাজ করে পেটের দিকে টেনে শুয়ে থাকুন। পেটে হালকা গরম পানির সেক দিন, যা পেশী শিথিল করতে সাহায্য করে। আদা বা পুদিনা চা পান করুন, যা দ্রুত আরাম দিতে পারে। পেটে হালকা মালিশ করুন, যাতে গ্যাস সহজে বের হতে পারে। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে গ্যাসের ওষুধ সেবন করুন।

যদি ব্যথা অনেক বেশি হয় এবং সাধারণ প্রতিকারেও না কমে, তবে তা অন্য কোনো সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। তাই, দরি না করে ডাক্তারের কাছে যান। যদি ব্যথার সাথে জ্বর, বমি বা মলের সাথে রক্ত যায়, তবে দ্রুত ডাক্তার দেখান। শক্তভাবে আটসাট পোশাক পরিধান করা এড়িয়ে চলুন। চুপচাপ শুয়ে না থেকে হালকা নড়াচড়া করুন। গ্যাসের ওষুধ বা অ্যান্টাসিড অতিরিক্ত ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ব্যথা কমাতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিন।

উদর বায়ু হলে করণীয়

যদি দেখে আপনার পেটে গ্যাস জমা হয়ে আছে বা পেট ফাপার মতো লাগছে। তাহলে এই অবস্থায় কিছু সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন, যে ভাবে পেটে জমে থাকা গাস বের করে দিতে সহায্য করে। সঠিক সময়ে ব্যবস্থা নিকে অনেক তারাতারি আরাম পাওয়া যায়। খাবার খাওয়ার পর হালকা হাটা চলার অভ্যাস করুন, যা আপনার হজমে সহায্য করবে। পেটে জমে থাকা বাতাস বের করার জন্য যোগ ব্যায়ামের কিছু সহজ পদ্ধতিতে ব্যয়াম করুন। মানসিক চিন্তা কমানোর জন্য গভীরভাবে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন।


দীর্ঘমেয়াদী গ্যাস থেকে মুক্তির জন্য পেটের জমা হওয়ার মূল কারণগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো দূর করতে হবে। এটা কেবল একটা সাময়িক উপশম নয়, বরং সুস্থ থাকার পথ। গ্যাস তৈরি করে এমন খাবারগুলি আপনার খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিন। দ্রুত খাওয়া বা কথা বলার সময় বাতাস গিলে ফেলার অভ্যাস ত্যাগ করুন। প্রচুর পরিমাণে জল পান করে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখুন। নিয়মিত প্রোটিন যুক্ত খাবার বা সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করুন। মলত্যাগ করার সময় যাতে অনেক সমস্যা না হয়, সেদিকে মনোযোগ দিন। এতে আপনার গ্যাসের অরিরিক্ত সমস্যা অনেকটা সমধান হতে পারে।

পেট ফাঁপা সমস্যা সমাধানের উপায়

পেট ফাপা সমস্যা সমাধানের জন্য সামগ্রিক লাইফ স্টাইল পরিবর্তন করা সবচেয়ে কার্যকর উপায়। এটা শুধু একটা লক্ষণ, তাই এর পেছনের কারণগুলো দূর করাই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। স্বাস্থ্যকর অভ্যাসগুলো এই সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে। আস্তে আস্তে এবং মনোযোগ সহকারে খাবার চিবিয়ে খান। কোমন পানীয় এবং সোডা সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে চলুন। ধূমপান এবং চুইংগামের মতো বাতাস গিলে ফেলার অভ্যাস ত্যাগ করুন। নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করে হজম প্রক্রিয়াকে সচল রাখুন। মানসিক চাপ কমাতে শান্ত থকার মতো ব্যয়াম করুন। এতে আপনার পেট ফাপা সমস্যার সমাধান হতে পারে।
পেটে-অতিরিক্ত-গ্যাস-হলে-করণীয়-কি
যদি দেখেন লাইফ স্টাইল পরিবর্তনেও সমস্যা বজায় থাকে, তবে ডাক্তার পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ পেট ফাপা কোনো আপনার ভিতরের স্বাস্থ্য সমস্যার লক্ষণও হতে পারে। ব্যক্তিগতভাবে কোন খাবারগুলি আপনার পেট ফাপার কারণ, তা খুজে বের করুন। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শে হজম সহায়ক ওষুধ গ্রহণ করুন। ডায়েটে ফাইবার বাড়ান, তবে তা আস্তে আস্তে করুন। আপনার খাদ্যতালিকায় ভিটামিন যুক্ত খাবার রাখুন। যদি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হয়, তবে ডাক্তারের কাছে যান।

পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন

সঠিক পরিমাণে পানি পান করা হজম প্রক্রিয়া এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধের জন্য অত্যন্ত জরুরি। কোষ্ঠকাঠিন্য অনেক সময় গ্যাসের সমস্যা বাড়িয়ে তোলে, কারণ হজম না হওয়া খাদ্য পেটে বেশি সময় ধরে থাকে। তাই, পানির পরিমাণ বাড়ানো একটা সহজ সমাধান। সারা দিন ধরে নিয়মিত বিরতিতে পানি পান করুন। খাবার খাওয়ার আগে বা পরে অতিরিক্ত পানি পান করা এড়িয়ে চলুন। খাবারের মাঝে সামান্য পনি পান করা হজমে সাহায্য করে। পর্যাপ্ত পানি শরীরে মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। প্রতিদিন অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করার লক্ষ্য রাখুন।

পানি বাদে অন্যান্য স্বাস্থ্যকর পানীয়ও উপকারী হতে পারে, তবে চিনিযুক্ত পানীয় বা সোডা পান করা উচিত নয়। হার্বাল চা যেমন পুদিনা চা বা আদা চা গ্যাসের সমস্যা কমাতে সাহায্য করতে পারে। পানি পান করার জন্য নিজের সাথে পানির বোতল রাখুন। হার্বাল টি পান করতে পারেন। গ্যাসের সমস্যা হলে চিনিযুক্ত ফলের রস এড়িয়ে চলুন। খুব বেশি ঠান্ডা পানি পান করা থেকে বিরত থাকুন। ডাবের পানি পান করাও একটা ভালো বিকল্প হতে পারে।

উপসংহারঃ পেটে অতিরিক্ত গ্যাস হলে করণীয় কি

আজ আমরা এই পোস্টের মাধ্যমে জানতে পারলাম, পেটে অতিরিক্ত গ্যাস হলে করণীয় কি? পেটে অতিরিক্ত গ্যাস ও পেট ফাপার সমস্যা একটি সাধারণ অস্বস্তি হলেও সঠিক মনোযোগ দিলে এটি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এই সম্পূর্ণ আলোচনায় আমরা দেখেছি যে, গ্যাস থেকে মুক্তি পেতে হলে জীবনে চলার পথে ও খাদ্যভ্যাসে কিছু জরুরি পরিবর্তন আনা আবশ্যক। এর মধ্যে রয়েছে তাড়াহুড়ো না করে আস্তে আস্তে খাবার খাওয়া, কোমল পানীয় এবং গ্যাস সৃষ্টিকারী নির্দিষ্ট খাবার যেমন বাঁধাকপি, ডাল এড়িয়ে চলা, এবং নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করা। আদা, জোয়ান, মৌরি বা পুদিনার মতো প্রাকৃতিক উপাদানগুলি ঘরোয়া প্রতিকার হিসেবে দ্রুত আরাম দিতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী উপশমের জন্য খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা—এই সমন্বিত পদক্ষেপগুলি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আমি মনে করি, গ্যাসের সমস্যাকে কেবল একটি অস্বস্তি হিসেবে না দেখে, এটিকে শরীরের একটি সংকেত হিসেবে দেখা উচিত। শরীরের ভেতরের ভারসাম্য নষ্ট হলে বা ভুল খাদ্যাভ্যাস থাকলে এই সমস্যা দেখা দেয়। তাই, সাময়িক ওষুধের ওপর নির্ভর না করে, আমাদের উচিত নিজেদের খাদ্যাভ্যাস ও লাইফ স্টাইল গভীরভাবে বিশ্লেষণ করে স্থায়ী সমাধান খুজে বের করা। নিজের শরীরকে জানা এবং এর চাহিদা অনুযায়ী স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলাটাই হলো গ্যাস-মুক্ত, আরামদায়ক জীবনের মূল চাবিকাঠি।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

সার্ভিস আইটির নিয়ম মেনে কমেন্ট করুন প্রত্যেকটা কমেন্টের রিভিউ করা হয়।

comment url

Md. Sanjid Ali
Md. Sanjid Ali
একজন ব্লগার/কন্টেন্ট লেখক। আধুনিক জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও জ্ঞান নিয়ে আমরা হাজির হয়েছি। এখানে আপনি অনলাইন ইনকামের নানা কৌশল, স্বাস্থ্য,চিকিৎসা, রুপচর্চা বর্তমান লাইফস্টাইল সম্পর্কিত টিপস, এবং প্রযুক্তি ও ব্লগিং-এর অজানা দিকগুলো জানতে পারবেন।