বিশ্ব মানবাধিকার দিবস কত তারিখে - বিশ্ব মানবাধিকার দিবস কবে

২১ নভেম্বর কি দিবসবিশ্ব মানবাধিকার দিবস কত তারিখে পালিত হয়, এই দিনটি কেন এত গুরুত্বপূর্ণ, তা কি আপনি জানেন, তাহলে আসুন, আজ সেই দিনটির সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক। এই পোস্টের মাধ্যমে জানতে পারবেন, বিশ্ব মানবাধিকার দিবস কবে, এবং এর মৌলিক বিষয়বস্তু এবং এর ৩০টি ধারা বা অনুচ্ছেদ সম্পর্কে।
বিশ্ব-মানবাধিকার-দিবস-কত-তারিখে
যখন ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ গ্রহণ করেছিল ঐতিহাসিক মানবাধিকারের ঘোষণাপত্র। মানুষ হিসেবে আমাদের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা গুলো ঠিক কী কী, আর কেনই বা সেগুলো রক্ষা করা আমাদের জন্য জরুরি, সেটাই জানাবো। ১০ ডিসেম্বরের বিশ্ব মানবাধিকার দিবস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়তে থাকুন।

পোস্ট সূচীপত্রঃ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস কত তারিখে

বিশ্ব মানবাধিকার দিবস কত তারিখে

বিশ্ব মানবাধিকার দিবস কত তারিখে, সারাবিশ্বে মানবাধিকার দিবস প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর তারিখে পালিত হয়। এই দিনটি মানব ইতিহাসে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্জনকে স্মরণ করে অর্থাৎ ১৯৪৮ সালের এই দিনে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ বিশ্ব মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র গ্রহণ করেছিল। এই ঘোষণাপত্রটি জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ নির্বিশেষে পৃথিবীর সকল মানুষের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতাকে ভালোভাবে তুলে ধরেছে। এটি কেবল দিবস হিসাবে উদযাপন নয়, বরং মানুষের জন্মগত মর্যাদা ও সমতার প্রতি আমাদের সবার এক সাথে মিলে মিশে থাকার অধিকার।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উদযাপনের প্রধান লক্ষ্য হলো এই ঘোষণাপত্রের ৩০টি অনুচ্ছেদে বর্ণিত অধিকারগুলো সম্পর্কে আমাদের কে অবগত করা এবং সেগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে বিশ্বজুড়ে এখনও বহু মানুষ মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং তাদের জন্য আমাদের আরও অনেক কিছু করার আছে। এই উপলক্ষে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা, সরকার এবং সুশীল সমাজ মানবাধিকার রক্ষায় অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মান জানায়। ১০ ডিসেম্বর তারিখটি শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার প্রদানের দিন হিসেবেও বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। এই দিবসটি আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি ন্যায়সঙ্গত ও মানবিক বিশ্ব গড়ার জন্য কাজ করার উৎসাহ প্রদান করে।

মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র 

মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্রকে আধুনিক ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দলিলগুলোর মধ্যে অন্যতম ধরা হয়। এই ঘোষণাপত্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তৈরি হয়েছিল, যাতে ভবিষ্যতে কোনো মানুষের মৌলিক অধিকার আর কখনো লঙ্ঘন করা না হয়। এখানে মোট ৩০টি অনুচ্ছেদ আছে, যেখানে বলা হয়েছে যে জন্ম, জাতি, ধর্ম বা লিঙ্গ নির্বিশেষে পৃথিবীর সব মানুষের সমান অধিকার আছে।

মানবাধিকারের বিশ্বব্যাপী ঘোষনা, আসলে মানবজাতির প্রতি এক সুস্পষ্ট অঙ্গীকার। এই দলিল বিশ্বের সব জাতি ও রাষ্ট্রের জন্য একটি সাধারণ একটা আদর্শ বা নিয়ম ঠিক করে দিয়েছে। এটি কেবল কোনো তত্ত্ব নয়, বরং প্রতিটি ব্যক্তির জীবনধারণ, স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তার অধিকারের এক বলিষ্ঠ স্বীকৃতি। এর ভিত্তিতেই পরবর্তীতে বহু আন্তর্জাতিক চুক্তি ও আইন প্রণয়ন করা হয়েছে, যা মানবাধিকারের রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ

১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর তারিখে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এই ঐতিহাসিক মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্রটি গ্রহণ করে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা একসঙ্গে বসে বহু আলোচনা ও বিতর্কের পর এই নথিতে একমত হন। এই গ্রহণ প্রক্রিয়াটি ছিল মানব ইতিহাসে এমন কোন সমাধান আগে কোন দিন দেখা যায়নি। এটা যেন সবার একজোট হয়ে কাজ করার একটা দারুন উদাহরণ।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ যখন এই ঘোষণাপত্রটা মেনে নিল, ঠিক তখনি এটা আন্তর্জাতিক স্তরে এত বেশি গুরুত্ব পেল। কারণ এটা শুধু কোনো একটা দেশের তৈরি করা দলিল নয়, বরং সারা বিশ্বের সব মানুষের জন্য সমান সম্মান আর অধিকার নিশ্চিত করতে সবাই মিলে একসঙ্গে নেওয়া একটা উদ্যোগ। এই কারণেই মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে এই পরিষদকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা ধাপ বা মাইলফলক হিসেবে ধরা হয়।

১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস

বিশ্ব মানবাধিকার দিবস কত তারিখে, জাতিসংঘের সেই ঐতিহাসিক অর্জনকে স্মরণ করার জন্যই প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর তারিখে বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার দিবস পালন করা হয়। এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে সব মানুষের জন্মগত মর্যাদা ও অধিকারের প্রতি আমাদের সম্মান জানাতে হবে। বিশ্বের বহু দেশ, মানবাধিকার সংস্থা ও সাধারণ মানুষ নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই দিনটি পালন করে।
বিশ্ব-মানবাধিকার-দিবস-কত-তারিখে
এই দিবসটি পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো মানবাধিকারের বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা আরো বেশি করে বাড়ানো। প্রতি বছর বিশ্ব মানবাধিকার কে মূল আলোচনা হিসেবে সামনে রেখে দিবসটি পালিত হয়, যেটা সেই সময়ে দুনিয়াজুড়ে মানবাধিকার নিয়ে চলা সমস্যাগুলোর ওপর বিশেষভাবে নজর দিতে সাহায্য করে। এটি আমাদের সবাইকে মনে করিয়ে দেয় যে মানবাধিকার নিশ্চিত করার জন্য আমাদের প্রচেষ্টা যেন কখনো থেমে না যায়।

মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা

মানবাধিকারের মূল ভিত্তি হলো মানুষের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতাগুলো। এর মধ্যে রয়েছে জীবনের অধিকার, দাসত্ব থেকে মুক্তি, নির্যাতন থেকে সুরক্ষা এবং স্বাধীনভাবে চলাচল করা ও মতামত প্রকাশের অধিকার। এই অধিকারগুলো কোনো দান নয়, বরং মানুষ হিসেবে জন্ম নেওয়ার ফলেই আমরা এগুলো অর্জন করি। বা আমাদের অধিকার হয়ে ওঠে।

মানবাধিকার পরিষদ স্পষ্টভাবে নিশ্চিত করেছে যে আইনের চোখে সবাই সমান এবং সবারই ন্যায্য বিচার পাওয়ার অধিকার আছে। কাউকে তার জাতীয়তা, সম্পত্তি বা সামাজিক অবস্থানের ভিত্তিতে বৈষম্য করা যাবে না। এই মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতাগুলো একটি স্বাধীন, গণতান্ত্রিক ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলার জন্য অপরিহার্য।

১০ ডিসেম্বরের বিশেষ সম্মান নোবেল শান্তি পুরস্কার

১০ ডিসেম্বর তারিখটির আরও একটি বিশেষ গুরুত্ব আছে। প্রতি বছর এই দিনেই বিশ্ব শান্তি ও মানবাধিকার রক্ষায় অসাধারণ অবদান রাখার জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়। সুইডেনের স্টকহোমে মূল নোবেল পুরস্কারগুলো দেওয়া হলেও, শান্তি পুরস্কারটি দেওয়া হয় নরওয়ের রাজধানী অসলোতে।

এই দিনে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয় কারণ এর মাধ্যমে মানবাধিকার দিবসের বার্তা আরও শক্তিশালী হয়। এটি প্রমাণ করে যে মানবজাতির শান্তি ও অগ্রগতির জন্য মানবাধিকার রক্ষা করা কতটা জরুরি। যারা নিজেদের জীবন বাজি রেখে বিশ্বে ন্যায়বিচার, সমতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করেন, এই পুরস্কার তাদের সেই প্রচেষ্টাকে সম্মানিত করে।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস

প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর তারিখটিকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালন করা হয়। এই দিনটি কেবল একটি ক্যালেন্ডার তারিখ নয়, বরং সারা বিশ্বের মানুষের জন্য মর্যাদা ও স্বাধীনতার প্রতীক। ১৯৪৮ সালের এই দিনে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ঐতিহাসিক মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র গ্রহণ করেছিল। সেই ঘোষণাপত্রটিই আমাদের জন্মগত মৌলিক অধিকারগুলোর ভিত্তি স্থাপন করেছে।

এই দিবসটি আন্তর্জাতিকভাবে উদযাপিত হয় কারণ মানবাধিকার কোনো দেশের সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি বিশ্বের প্রতিটি মানুষ সে যে দেশেই থাকুক বা যে সংস্কৃতিতেই বেড়ে উঠুক তার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস পালন করে আমরা বিশ্বজুড়ে মানবাধিকারের প্রচার ও সুরক্ষার জন্য আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকারকে নতুন করে দৃঢ় করি এবং যারা এই অধিকারের জন্য লড়েছেন, তাদের সম্মান জানাই।

মানব অধিকার দিবস

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস বা মানব অধিকার দিবস নাম যাই হোক না কেন, এর মূল বার্তাটি একই। সকল মানুষ সমান এবং তাদের মৌলিক অধিকারগুলো লঙ্ঘন করা যাবে না। এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে জীবন, স্বাধীনতা, নিরাপত্তা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং বৈষম্য থেকে মুক্তির অধিকার জন্মসূত্রে আমরা সবাই পেয়েছি। একটি মানবিক সমাজ গঠনে এই অধিকারগুলো আমাদের মানব জিবনের জন্য অপরিহার্য।
বিশ্ব-মানবাধিকার-দিবস-কত-তারিখে
এই দিনটি আমাদের সবাইকে নিজের ভেতরের ভাবনাগুলো নিয়ে ভাবার সময় বা সুযোগ করে দেয়।আমরা কি নিজেদের বা অন্যের অধিকারের প্রতি যথেষ্ট সচেতন। মানব অধিকার দিবস আমাদের শেখায় যে শুধু নিজেদের অধিকার নয়, বরং অন্যের অধিকার রক্ষায়ও আমাদের সোচ্চার হতে হবে। যখন আমরা সমতা, ন্যায়বিচার এবং মানবিক মর্যাদার মূল্যবোধকে সম্মান করি, তখনই একটি শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বিশ্ব গড়ে তোলা সম্ভব হয়।

বিশ্ব মানবাধিকারের ৩০টি অনুচ্ছেদ বা ধারা সমূহ

১. সব মানুষ স্বাধীন এবং মর্যাদা ও অধিকারের দিক থেকে সমান। ২. বৈষম্যহীনতা। ৩. জীবন, স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার অধিকার। ৪. দাসত্ব নিষেধ। ৫. নির্যাতন নিষেধ। ৬. আইনের চোখে ব্যক্তি হিসেবে স্বীকৃতি। ৭. আইনের কাছে সবাই সমান। ৮. আইনের কার্যকর প্রতিকার লাভ। ৯. বেআইনি আটক বা নির্বাসন নিষেধ। ১০. নিরপেক্ষ বিচার লাভের অধিকার। ১১. দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত নির্দোষ। ১২. গোপনীয়তার অধিকার। ১৩. চলাচলের স্বাধীনতা। ১৪. আশ্রয়ের অধিকার। ১৫. জাতীয়তার অধিকার।

১৬. বিবাহ ও পরিবার গঠনের অধিকার। ১৭. সম্পত্তির অধিকার। ১৮. চিন্তা, বিবেক ও ধর্মের স্বাধীনতা। ১৯. মত প্রকাশ ও তথ্য লাভের স্বাধীনতা। ২০. শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও সংগঠনের স্বাধীনতা। ২১. নিজ দেশের সরকারে অংশগ্রহণের অধিকার (গণতান্ত্রিক অধিকার)। ২২. সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার। ২৩. কাজ ও ন্যায্য মজুরির অধিকার। ২৪. বিশ্রাম ও অবসরের অধিকার। ২৫. পর্যাপ্ত জীবনযাত্রার মানের অধিকার। ২৬. শিক্ষার অধিকার। ২৭. সাংস্কৃতিক জীবনে অংশগ্রহণের অধিকার। ২৮. সামাজিক ও আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলার অধিকার। ২৯. সমাজের প্রতি কর্তব্য। ৩০. অধিকার হরণ নিষেধ।

উপসংহারঃ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস কত তারিখে

আজ আমরা এই পোস্টের মাধ্যমে জানতে পারলাম যে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস কত তারিখে, প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর তারিখটা বিশ্ব মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালিত হয়। এর মূল কারণটা হলো ১৯৪৮ সালের এই দিনেই জাতিসংঘে বিশ্ব মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র  গৃহীত হয়েছিল। এই ঐতিহাসিক দলিলটা জাতি, ধর্ম বা লিঙ্গ নির্বিশেষে পৃথিবীর সব মানুষের জন্মগত অধিকার আর স্বাধীনতার ভিত্তি তৈরি করে দিয়েছে। ২য় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তৈরি হওয়া এই ঘোষণাপত্রের ৩০টা অনুচ্ছেদে মানুষের জীবন, স্বাধীনতা, নিরাপত্তা এবং বৈষম্যহীনতার অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এই দিনটা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে বিশ্বজুড়ে মানবাধিকারের প্রচার ও সুরক্ষার জন্য সবার একসঙ্গে কাজ করাটা কতটা জরুরি।

আমার মনে হয়, বিশ্ব মানবাধিকার দিবসটা শুধু একটা দিন মনে রাখার বিষয় নয়। এর ভেতরের আসল কথা হলো প্রতিটা মানুষকে সম্মান করা এবং তাদের প্রাপ্য অধিকারটুকু নিশ্চিত করা। মানবাধিকারের ব্যাপারটা কোনো দূরের বিষয় নয়, এটা আমাদের প্রতি দিনের জীবনে, আমাদের আচরণে, আমাদের চিন্তাভাবনায় থাকা দরকার। যতক্ষণ না বিশ্বের সব মানুষ তাদের মৌলিক অধিকারগুলো ভোগ করতে পারছে, ততক্ষণ আমাদের এর জন্য লড়াই  করা দরকার। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

সার্ভিস আইটির নিয়ম মেনে কমেন্ট করুন প্রত্যেকটা কমেন্টের রিভিউ করা হয়।

comment url

Md. Sanjid Ali
Md. Sanjid Ali
একজন ব্লগার/কন্টেন্ট লেখক। আধুনিক জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও জ্ঞান নিয়ে আমরা হাজির হয়েছি। এখানে আপনি অনলাইন ইনকামের নানা কৌশল, স্বাস্থ্য,চিকিৎসা, রুপচর্চা বর্তমান লাইফস্টাইল সম্পর্কিত টিপস, এবং প্রযুক্তি ও ব্লগিং-এর অজানা দিকগুলো জানতে পারবেন।