Tufnil কিসের ঔষধ - টাফনিল খাওয়ার নিয়ম
প্যানটোনিক্স 20 এর কাজ কিTufnil কিসের ঔষধ, আজ আপনি এই পোস্টের মাধ্যমে জানতে পারবেন। টাফনিল তীব্র মাথা
ব্যথা কমাতে কিভাবে কাজ করে এর খাওয়ার নিয়ম ও এর কার্যকারিতা এবং
পার্শপ্রতিক্রিয়া, আর গর্ভ অবস্থায় টাফনিল খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে।
এটি শুধু ব্যথা নয়, বরং শরীরের প্রদাহ ও জ্বর কমাতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে।
টাফনিল সঠিক নিয়মে এবং এর
কার্যকারিতা, খাওয়ার নিয়ম ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পুরো
পোস্টটি পড়ুন।
পোস্ট সূচীপত্রঃ Tufnil কিসের ঔষধ | টাফনিল খাওয়ার নিয়ম
- Tufnil কিসের ঔষধ - টাফনিল খাওয়ার নিয়ম
- Tufnil ২০০ খাওয়ার নিয়ম
- Tufnil এর কার্যকারিতা বা উপযোগিতা
- টাফনিল এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
- টাফনিল ২০০ এর দাম কত
- টাফনিল কী আর কেন এটা কাজে লাগে
- টাফনিল কী কী রোগের জন্য ব্যবহার করা হয়
- কখন এবং কীভাবে এই ওষুধ খেতে হয়
- টাফনিল এর কিছু সমস্যা এবং কী কী খেয়াল রাখতে হবে
- অন্য ওষুধের সাথে এর সম্পর্ক এবং কারা একদম খাবেন না
- উপসংহারঃ Tufnil কিসের ঔষধ
Tufnil কিসের ঔষধ
Tufnil কিসের ঔষধ, চলুন জেনে নেওয়া যাক। টাফনিল হলো এক ধরনের ব্যথার ওষুধ, যার
আসল নাম হলো টলফেনামিক এসিড। এটা এমন একটা ওষুধের গ্রুপ, যাদেরকে সংক্ষেপে NSAID
বলা হয়। এই ওষুধটি আমাদের শরীরের ব্যথা, কোনো জায়গা ফুলে যাওয়া বা প্রদাহ এবং
জ্বর কমাতে দারুণ কাজ করে। আমাদের শরীরের ভেতরে যখন ব্যথা হয়, তখন কিছু বিশেষ
ধরনের কেমিক্যাল বা রাসায়নিক তৈরি হয়, টাফনিল সেই কেমিক্যালগুলো তৈরি হতে দেয় না,
আর এভাবেই সে তার কাজ করে। তবে যদি কারো আলসার, হার্টের সমস্যা, কিডনি ও লিভারের
রোগ থাকে তাহলে আপনি এই ঔষধ একদম খাবেন না।
এই ওষুধটির মূল কাজ হলো বড়দের মাথার তীব্র মাইগ্রেনের ব্যথা খুব তাড়াতাড়ি কমিয়ে
দেওয়া। মাইগ্রেনের কষ্টের সময় এটা খেলে খুব ভালো ফল পাওয়া যায়। মাইগ্রেন ছাড়াও
হালকা বা মাঝারি ধরনের অন্য ব্যথা, যেমন অপারেশন হওয়ার পরের ব্যথা অথবা জ্বর
কমাতেও ডাক্তাররা এটা দিয়ে থাকেন। তবে অন্য সব ব্যথার ওষুধের চেয়ে মাইগ্রেনের
ব্যথা কমানোর জন্যই এর সুনাম সবচেয়ে বেশি। আরেকটা কথা হলো আপনি যখন টাফনিল খাবেন
তখন এর সাথে অন্য কোন ঔষধ খাওয়া যাবে না। যদি খেতে চান তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের
পরামর্শ নিবেন।
টাফনিল ২০০ খাওয়ার নিয়ম
যদি আপনার তীব্র মাথা ব্যথা হয় প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য টাফনিল ২০০ মি.গ্রা.
ট্যাবলেট একটি করে খাওয়ার নিয়ম। সাধারণত মাথা ব্যথার প্রথম লক্ষণ দেখা দেওয়ার
সঙ্গে সঙ্গেই এটা খেতে বলা হয়, যাতে ব্যথা বাড়ার আগেই তা কমানো যায়। যদি প্রথম
ডোজটি খাওয়ার পরও সন্তোষজনক ফল না পাওয়া যায় বা ব্যথা না কমে, তবে ১ থেকে ২ ঘণ্টা
পর আপনি আরও একটি ট্যাবলেট খেতে পারেন।
আরো পড়ুনঃ দ্রুত হাই প্রেসার কমানোর ঘরোয়া উপায়
টাফনিল খাওয়ার সময় অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখতে হবে যে, এটি খাবারের
সঙ্গে বা খাওয়ার পরপরই খেতে হবে। এটা কখনোই খালি পেটে খাওয়া উচিত নয়, কারণ এতে
পেটে গ্যাস বা আলসারের মতো সমস্যা হতে পারে। ওষুধ খাওয়ার সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে
পানি পান করা প্রয়োজন, এতে প্রস্রাবের জ্বালাপোড়ার মতো সমস্যা কম হয়।
Tufnil এর কার্যকারিতা বা উপযোগিতা
টাফনিল ট্যাবলেট খুব কম সময়ের মধ্যে শরীরে শোষিত হয়ে যায় এবং দ্রুত তার
কার্যকারিতা শুরু করে। ওষুধটি খাওয়ার সাধারণত এক থেকে দেড় ঘণ্টার মধ্যে রক্তে
এর ঘনত্ব সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়, যার ফলে ব্যথার ওপর এর প্রভাব দ্রুত দেখা
যায়। এর শক্তিশালী উপাদান টলফেনামিক এসিড মাইগ্রেনের তীব্র অ্যাটাককে খুব
দক্ষতার সাথে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
এই ওষুধ শুধু ব্যথা কমায় না, সেই সঙ্গে প্রদাহ বা ফোলাও কমিয়ে দেয়। তাই
অপারেশন করার পরে হওয়া ব্যথা বা আঘাতজনিত প্রদাহের চিকিৎসাতেও এটি সাহায্য
করে। এর কার্যকারিতা অনেক রোগের জন্য উপকারী হলেও, এটি মূলত মাথা ব্যথার
অ্যাটাক থামানোর জন্যই বিশেষভাবে নির্দেশিত। এটি মাথা ব্যথা পুরোপুরি সারিয়ে
তোলে না, তবে তীব্র যন্ত্রণার সময় তাৎক্ষণিক মুক্তি দেয়।
টাফনিল এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
টাফনিল সেবনের ফলে কিছু সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে, যা সাধারণত
গুরুতর হয় না। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় পেটের সমস্যা, যেমন বমি বমি ভাব,
বমি হওয়া, ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা এবং পেটে গ্যাসের কারণে অস্বস্তি বা
ব্যথা। এই ধরনের হজমের সমস্যা এড়াতে এটি খাবারের সঙ্গে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
কিছু ক্ষেত্রে পুরুষ মানুষের প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হতে পারে, যা প্রচুর পানি পান
করলে সাধারণত কমে যায়। এছাড়া মাথা ঘোরা, কাঁপুনি, ক্লান্তি বা শরীরে লালচে ভাবও
দেখা যেতে পারে। তবে যদি কোনো গুরুতর সমস্যা, যেমন বুকে ব্যথা বা শ্বাসকষ্ট হয়,
তবে দ্রুত ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। তাই আপনি যখন টাফনিল
খাবেন তার আগে অবশ্যই পেট ভরে খাবার খাওয়ার পরে খাওয়ার চেষ্টা করবেন।
Tufnil ২০০ এর দাম কত
টাফনিল ২০০ ট্যাবলেটের দাম নির্ভর করে কোন কোম্পানি এটি তৈরি করছে এবং দেশের
ফার্মেসির ওপর। সাধারণত বাংলাদেশে এসকায়েফ (Eskayef) ফার্মাসিউটিক্যালস এই
ওষুধটি তৈরি করে এবং এটি খুবই সহজলভ্য। এর দাম বেশিরভাগ সময়ই সরকারিভাবে
নির্ধারিত থাকে। জানামতে প্রতিটি ট্যাবলেট এর বাজার মূল্য বর্তমানে ১০ টাকা করে।
আরো পড়ুনঃ মাথা যন্ত্রণা কমানোর ঘরোয়া উপায়
সাধারণত, টাফনিল ২০০ মি.গ্রা. এর প্রতিটি ট্যাবলেটের দাম মোটামুটি ১০ টাকা বা এর
আশেপাশে থাকে। অর্থাৎ, ১০টি ট্যাবলেটের একটি পাতা কিনতে প্রায় ১০০ টাকা লাগতে
পারে। তবে মনে রাখবেন, ওষুধের দাম বিভিন্ন সময় পরিবর্তিত হতে পারে বা এলাকাভেদে
সামান্য কম-বেশি হতে পারে, তাই কেনার সময় ফার্মেসির মূল্য তালিকা দেখে নেওয়া
ভালো।
টাফনিল কী আর কেন এটা কাজে লাগে
আমাদের অনেকের মনে প্রশ্ন টাফনিল কিসের ঔষধ, আসলে টাফনিল হল এক ধরনের ব্যথার ওষুধ, যার আসল নাম টলফেনামিক এসিড। এটা এমন একটা
গ্রুপের ওষুধ, যা শরীর থেকে ব্যথা, ফোলা বা প্রদাহ আর জ্বর কমাতে খুব ভালো কাজ
করে। আমাদের শরীরে যখন ব্যথা হয় বা কোনো জায়গায় ফুলে যায়, তখন কিছু বিশেষ ধরনের
রাসায়নিক তৈরি হয়—টাফনিল সেই রাসায়নিকগুলো তৈরি হতে বাধা দেয়।
এইভাবে কাজ করার ফলেই টাফনিল খুব তাড়াতাড়ি আমাদের কষ্ট কমাতে পারে। সাধারণত হঠাৎ
শুরু হওয়া তীব্র ব্যথার জন্য এই ওষুধটি ডাক্তাররা বেশি দেন। বিশেষ করে মাথার
প্রচণ্ড ব্যথার জন্য এটা খুবই কার্যকর বলে পরিচিত। মনে রাখবেন, এটা কেবল ব্যথাই
কমায় না, সেই সঙ্গে যদি জ্বর থাকে সেটাও কমিয়ে দেয়।
টাফনিল কী কী রোগের জন্য ব্যবহার করা হয়
টাফনিলকে মূলত চেনা যায় মাথার তীব্র অ্যাটাকের ব্যথা থামানোর জন্য। মাথা ব্যথা
শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এটা খেলে খুব তাড়াতাড়ি কষ্ট কমে আসে। ডাক্তাররা বলেন,
যখনই মাথার ব্যথা শুরুর হালকা আভাস পাবেন, তখনই এটা খেয়ে নেওয়া ভালো। এটা
মাইগ্রেনের ব্যথার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে দারুণ সাহায্য করে।
আরো পড়ুনঃ আলসার কিভাবে ভালো হয়
মাথা ব্যথা ছাড়াও এই ওষুধ আরও কিছু ব্যথায় ব্যবহার করা হয়। যেমন, অপারেশন বা
অস্ত্রোপচারের পর অনেকের যে ব্যথা হয়, সেটা কমাতেও টাফনিল দেওয়া হয়ে থাকে। মাঝারি
ধরনের যেকোনো ব্যথা বা শরীরে কোনো জায়গায় ফুলে গেলে তার প্রদাহ কমাতেও এটা কাজে
আসে। তবে মাইগ্রেনের ক্ষেত্রে এর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
কখন এবং কীভাবে এই ওষুধ খেতে হয়
যদি আপনার মাথা ব্যথা শুরু হয়, তবে সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ২০০ মিলিগ্রামের
একটি ট্যাবলেট খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। যদি প্রথমবার খাওয়ার পরেও ব্যথা না কমে,
তাহলে ১ থেকে ২ ঘণ্টা পর আরও একটি ট্যাবলেট খাওয়া যেতে পারে। তবে অন্য সাধারণ
ব্যথার জন্য ডাক্তাররা দিনে তিনবার পর্যন্ত ১০০ থেকে ২০০ মিলিগ্রাম খেতে বলতে
পারেন।
সবচেয়ে জরুরি কথা হলো, টাফনিল ট্যাবলেট পেট ভরে খাবার খাওয়ার পরে খেতে হয়, মানে
খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বা খাওয়ার ঠিক পরে। এটা একটা ব্যথার ওষুধ হওয়ায় খালি পেটে
খেলে পেটে গ্যাস বা আলসারের সমস্যা হতে পারে। ওষুধটি খাওয়ার সময় অবশ্যই প্রচুর জল
পান করা উচিত। এটা শিশুদের জন্য বা যাদের কিডনি বা লিভারের খুব বড় সমস্যা আছে,
তাদের জন্য নয়।
টাফনিল এর কিছু সমস্যা এবং কী কী খেয়াল রাখতে হবে
টাফনিল খেলে কিছু সাধারণ সমস্যা হতে পারে। যেমন অনেকের পেট খারাপ হওয়া বা
ডায়রিয়া হয়, আবার কারো কারো বমি বমি ভাব, পেট ব্যথা বা হজমের গন্ডগোল হতে পারে।
এই সমস্যাগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই খুব মারাত্মক হয় না এবং কিছুদিনের মধ্যে ঠিক
হয়ে যায়। তবুও, যদি এই ধরনের কোনো সমস্যা দেখা দেয়, তবে আপনার ডাক্তারকে অবশ্যই
জানানো উচিত।
এটা যেহেতু পেটের সমস্যা করতে পারে, তাই যাদের আগে থেকেই পেটে আলসার বা
রক্তক্ষরণের সমস্যা আছে, তাদের এই ওষুধ এড়িয়ে চলাই ভালো। যাদের হার্টের, কিডনির
বা লিভারের বড় কোনো অসুখ আছে, তাদেরও টাফনিল সাবধানে ব্যবহার করা উচিত। আর
গর্ভবতী মহিলাদের গর্ভাবস্থার শেষের দিকে এটা খাওয়া একদম উচিত নয়।
অন্য ওষুধের সাথে এর সম্পর্ক এবং কারা একদম খাবেন না
আপনি যদি টাফনিল খান, আর একই সাথে রক্ত পাতলা করার অন্য কোনো ওষুধ খান, তবে
রক্তপাতের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যেতে পারে। তাই একসঙ্গে দুটো ওষুধ খাওয়ার আগে
ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। অ্যান্টাসিড জাতীয় কিছু ওষুধ (পেটের গ্যাস কমানোর
ওষুধ) টাফনিলের কাজ করার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে।
যাদের অ্যাসপিরিন বা অন্য কোনো ব্যথার ওষুধে অ্যালার্জি হয়, কিংবা যাদের পেটে
আলসার আছে বা হার্টের খুব বড় সমস্যা আছে, তারা টাফনিল একদমই খাবেন না। যদি আপনার
কিডনি বা লিভারের রোগ থাকে, তবে সেটা ডাক্তারকে অবশ্যই বলতে হবে। সবসময়ে মনে
রাখবেন, যেকোনো নতুন ওষুধ খাওয়ার আগে আপনার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে ডাক্তারকে
বিস্তারিত বলা দরকার।
উপসংহারঃ Tufnilকিসের ঔষধ | টাফনিল খাওয়ার নিয়ম
আজ আমরা এই পোস্টের মাধ্যমে জানতে পারলাম Tufnil কিসের ঔষধ। টাফনিল এক ধরনের NSAID গ্রুপের ঔষধ, যা
মূলত প্রাপ্তবয়স্কদের তীব্র মাইগ্রেনের মাথা ব্যথা কমানোর জন্য ব্যবহার করা হয়।
এটি শরীরের ভেতরে ব্যথা, প্রদাহ এবং জ্বর সৃষ্টিকারী রাসায়নিক তৈরি হতে বাধা
দিয়ে দ্রুত কাজ করে। সাধারণত ২০০ মিলিগ্রামের একটি ট্যাবলেট মাথা ব্যথার শুরুতে
খাবারের সাথে বা পরপর পর্যাপ্ত পানি দিয়ে খাওয়ার নিয়ম। যদিও এটি খুব দ্রুত
ব্যথার উপশম দেয়, কিন্তু পেটে অস্বস্তি, বমি বমি ভাব বা ডায়রিয়ার মতো সাধারণ
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। তাই পেটের সমস্যা বা হার্টের অসুখ আছে এমন
রোগীদের ক্ষেত্রে এবং গর্ভাবস্থার শেষের দিকে এটি সেবনে সতর্কতা অবলম্বন করা খুব
জরুরি।
আমার মতে, মাথা ব্যথা রোগীদের জন্য টাফনিল নিঃসন্দেহে একটি অত্যন্ত কার্যকর এবং
দ্রুত ফলদায়ী সমাধান। তবে এর শক্তিশালী প্রকৃতির কারণে, এটি যেনতেনভাবে ব্যবহার
করা একেবারেই উচিত নয়। নিজে এটা খাওয়ার আগে, একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ
অনুযায়ী সঠিক ডোজে এবং সঠিক নিয়মে এই ঔষধ সেবন করলে তবেই এর উপকারিতা পুরোপুরি
পাওয়া সম্ভব। সঠিক সতর্কতা ও চিকিৎসকের গাইডলাইন মেনে চললে এই ঔষধের মাধ্যমে
তীব্র যন্ত্রণা থেকে সহজেই মুক্তি মেলে।



সার্ভিস আইটির নিয়ম মেনে কমেন্ট করুন প্রত্যেকটা কমেন্টের রিভিউ করা হয়।
comment url