এবং গোল্ডেন ফেসপ্যাক ব্যবহারের নিয়ম। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ও বয়সের ছাপ
কমাতে সম্পূর্ণ ঘরোয়া উপায়ে রূপচর্চা করে সফলতা পেতে হলে সম্পূর্ণ ব্লগ পোস্টটি
পড়তে থাকুন।
ঘরে বসে গোল্ড ফেসিয়াল করার নিয়ম
ঘরে বসে গোল্ড ফেসিয়াল করার নিয়ম, আপনার ত্বককে উজ্জ্বল ও আরো সুন্দর করতে
গোল্ড ফেসিয়াল একটি দারুণ কার্যকরী উপায়, যা পার্লারে না গিয়ে আপনি ঘরে বসে
খুব সহজে করতে পারেন। এর জন্য প্রথমেই মুখ ভালো করে পরিষ্কার করতে কাঁচা দুধ বা
ভালো মানের ফেসওয়াশ দিয়ে ত্বক হালকা ভাবে ধুয়ে ও মুছে নিতে হবে। এরপর ত্বকের
মৃত কোষ দূর করতে স্ক্রাবিং করা প্রয়োজন, যা চিনি, লেবুর রস ও মধুর মিশ্রণ দিয়ে
ঘরোয়াভাবেই তৈরি করা যায়।
এই মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে হালকা হাতে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন এবং খেয়াল
রাখবেন যেন ত্বকে খুব বেশি চাপ না লাগে। স্ক্রাবিং করা হয়ে গেলে কুসুম গরম পানি
দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন, এতে ত্বকের লোমকূপগুলো খুলে যাবে এবং পরবর্তী ধাপের
পুষ্টি গ্রহণ করবে। ফেসিয়ালের এই প্রাথমিক ধাপটি ত্বককে গভীর থেকে পরিষ্কার
করে এবং ভেতরের জমে থাকা ধুলোবালি পুরোপুরি বের করে আনে। এখন একটি গোল্ড
ম্যাসাজ ক্রিম বা জেল নিয়ে মুখের নিচ থেকে উপরের দিকে অন্তত ১০ থেকে ১৫ মিনিট
সময় নিয়ে ম্যাসাজ করুন।
এতে ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এবং ত্বকের নমনীয়তা ফিরে আসে, যা আপনাকে
বয়সের ছাপ বা বলিরেখা থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করে। ম্যাসাজ শেষে গোল্ড
ফেসপ্যাক মুখে ও গলায় লাগিয়ে অন্তত ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন, যতক্ষণ না প্যাকটি
পুরোপুরি শুকিয়ে টানটান হয়। প্যাক শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন
এবং তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুছে ত্বকে অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে নিন। এই নিয়মে আপনি
মাসে ১বার গোল্ডে ফেসিয়াল করলে আপনি পাবেন পার্লারের মতোই গোল্ডেন গ্লো।
ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে ঘরোয়া রূপচর্চার গুরুত্ব
আপনার ত্বকের হারিয়ে যাওয়া উজ্জলতা ফিরিয়ে আনতে ঘরোয়া রূপচর্চা বা স্কিন কেয়ার
রুটিন মেনে চলা বর্তমান সময়ে খুব জরুরি। কেমিক্যাল জাতীয় উপাদান ব্যবহারের বদলে
প্রাকৃতিক উপাদানের মাধ্যমে ত্বকের যত্ন নিলে দীর্ঘস্থায়ী এবং নিরাপদ ফলাফল
পাওয়া যায়। তার মধ্যে গোল্ড ফেসিয়াল একটি কার্যকরী উপাদান। আপনার ত্বকের
উজ্জলতা বাড়াতে এবং বয়সের ছাপ কমাতে দারুণভাবে কাজ করে। আপনি সঠিক নিয়মে আপনার
ত্বকের যত্ন নিলে ত্বক ভেতর থেকে উজ্জ্বল, ফর্সা হয়ে ওঠে। ঘরোয়া পরিবেশে নিজের
যত্ন নেওয়া একদিকে যেমন সাশ্রয়ী, অন্যদিকে এটি সম্পূর্ণ
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত।
আর আপনার ত্বকের কালো দাগ দূর করতে এবং উজ্জলতা পেতে এই ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার
করলে এটা জাদুর মতো কাজ করে। এটি ত্বককে টানটান করে রাখতে সাহায্য করে, ফলে
ত্বকের চামড়া ঝুলে যাওয়া ও বয়সের ছাপ তেকে রক্ষা পায়। বিশেষ করে আপনার ত্বকে
যদি রোদে পোড়া দাগ ও রেস থেকে থাকে তাহলে আপনার জন্য এটি খুবই কার্যকারী। সঠিক
নিয়মে এই গোল্ডেন ফেসিয়াল ব্যবহার করলে আপনার ত্বক হবে অনেক চকচকে ও উজ্জল। তাই
পার্লারে না গিয়ে ঘরে বসে গোল্ড ফেসিয়াল করার নিয়ম-এ ত্বকের যত্ন নিন।
প্রাকৃতিক ফেসপ্যাক ও গোল্ড কিট নির্বাচন
এই রূপচর্চার জন্য প্রথমেই আপনাকে সঠিক প্রাকৃতিক ফেসপ্যাক বানানোর উপাদান
অথবা ভালো মানের কিট নির্বাচন করতে হবে। ঘরে তৈরির জন্য খাটি হলুদ, মধু, চন্দন
গুড়ো এবং অ্যালোভেরা জেল অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। আপনি যদি বাজারের
থেকে পণ্য ব্যবহার করতে চান, তবে হারবাল বা অর্গানিক গোল্ড কিট বেছে নেওয়া
বুদ্ধিমানের কাজ। পণ্যের গায়ে থাকা উপাদানগুলো ভালো করে পড়ে নিন যেন তাতে
ক্ষতিকর কোন কিছু না থাকে। সঠিক পণ্য নির্বাচন আপনার রূপচর্চার ফলাফলকে বহুগুণ
বাড়িয়ে দিতে পারে এবং ত্বকের ক্ষতি কমায়।
আপনি যদি পারেন ঘরে বসে প্রাকৃতিক উপাদানগুলো দিয়ে ফেসপ্যাক বানাতে। তাহলে
আপনার ত্বকের কোন প্রকার ক্ষতিকারক দিক থাকবে না। বাড়িতে থাকা উপাদান হাতের
কাছে থাকা কাচা দুধ, চিনি এবং লেবুর রস দিয়েও প্রাথমিক ধাপের কাজগুলো সেরে ফেলা
যায়। তবে আপনি যদি কিট কেনেন, তবে অবশ্যই নিজের ত্বকের ধরন বুঝে কিনবেন।
সেনসিটিভ ত্বকের ক্ষেত্রে আপনি হাতে লাগিয়ে পরীক্ষা করে নিতে পারেন। সব উপকরণ
হাতের কাছে গুছিয়ে নিয়ে তারপরই আপনার স্কিন কেয়ার সেশন শুরু করা উচিত।
মুখের গভীর থেকে ময়লা ও তেল দূর করার উপায়
গোল্ড ফেসিয়ালের প্রাথমিক কাজ হলো এটা আপনার মুখের গভীর থেকে জমে থাকা ময়লা ও
অতিরিক্ত তেল সম্পূর্ণভাবে দূর করতে সহায্য করবে। ত্বক পরিষ্কার করার জন্য কাচা
দুধ একটি অসাধারণ প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে পরিচিত যা লোমকূপের গভীরে কাজ করে।
একটি তুলার বল দুধে ভিজিয়ে পুরো মুখ এবং গলায় আলতো করে মুছে নিলে ধুলোবালি উঠে
আসে। এটি মেকআপের আবরন এবং সারাদিনের জমে থাকা দূষণ নিমেষেই পরিষ্কার করে
ফেলে।
ত্বক পরিষ্কার থাকলে পরবর্তী ধাপের পুষ্টিগুলো চামড়ার গভীরে সহজে প্রবেশ
করতে পারে।আপনার কাছে যদি কাচা দুধ না থাকে তাহলে ভালো মানের কোনো মাইল্ড ফেসওয়াশ
ব্যবহার করতে পারেন। তবে খেয়াল রাখবেন, ত্বক পরিষ্কার করার সময় খুব বেশি জোরে
ঘষামাজা করা একদমই উচিত নয়। মুখ ধোয়ার পর পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে আলতো করে চেপে
চেপে পানি মুছে ফেলতে হবে। অপরিষ্কার ত্বকে কোনো ফেসপ্যাক লাগালে হিতে বিপরীত
হতে পারে এবং ব্রণ দেখা দিতে পারে। তাই একটি স্বচ্ছ এবং ফ্রেশ ক্যানভাস তৈরি
করে নেওয়াটা ফেসিয়ালের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
মরা চামড়া অপসারণ পদ্ধতি
আপনার ত্বকে গোল্ড ফেসিয়াল ব্যবহার করার আগে ত্বকের উপরের স্তরে জমে থাকা মরা
চামড়া অপসারণ না করলে ত্বক কখনোই উজ্জ্বল দেখাবে না। চিনি এবং মধুর মিশ্রণ দিয়ে
তৈরি ঘরোয়া স্ক্রাব ত্বককে পোলিশ করতে এবং মরা চামড়া তুলে ফেলতে সাহায্য করে।
আঙুলের ডগা দিয়ে গোল গোল বা সার্কুলার মোশনে ম্যাসাজ করলে ত্বকের রক্ত
সঞ্চালন দ্রুত বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে নাকের দুপাশে এবং থুতনিতে জমে থাকা খসখসে
ভাব দূর করতে এটি খুব কার্যকর। তবে স্ক্রাবিং করার সময় অবশ্যই আলতো হাত ব্যবহার
করতে হবে যাতে ত্বকে কোনো আচড় না লাগে।
নিয়মিত স্ক্রাবিং করলে ত্বকের ওপরে অনেক বেশি মসৃণ এবং কোমল হয়ে ওঠে। এটি
ত্বকের নতুন চামড়া জন্মাতে সাহায্য করে এবং মুখের কালচে ছোপ দূর করে। স্ক্রাবিং
শেষ হওয়ার পর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিলে ত্বক সতেজ অনুভব হয়। মনে
রাখবেন, সপ্তাহে দুইবারের বেশি স্ক্রাবিং করা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এই
ধাপটি সম্পন্ন হলে আপনার ত্বক পরবর্তী পুষ্টি গ্রহণের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত
হয়ে যায়। এর পরে আপনি গোল্ড ফেসিয়াল ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন।
লোমকূপ পরিষ্কার ও ব্ল্যাকহেডস রিমুভ করার কৌশল
গরম পানির ভাপ বা স্টিমিং পদ্ধতি ত্বকের বন্ধ হয়ে যাওয়া রোমকূপগুলো খুলে দিতে
সবচেয়ে বেশি কার্যকর। একটি পাত্রে গরম পানি নিয়ে তোয়ালে দিয়ে মাথা ঢেকে ৫-৭
মিনিট ভাপ নিলে ত্বক নরম হয়। এই প্রক্রিয়ায় ত্বকের গভীরে জমে থাকা ময়লা খুব
সহজেই বেরিয়ে আসে। স্টিমিং করার ফলে ত্বক উষ্ণ থাকে এবং মুখের রক্ত সঞ্চালন
স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যায়। এটি ব্রণ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতেও
পরোক্ষভাবে সহায়তা করে থাকে।
ভাপ নেওয়ার পর ত্বক নরম থাকা অবস্থায় ব্ল্যাকহেডস রিমুভার দিয়ে বা পরিষ্কার
কাপড় দিয়ে চাপ দিলে ব্ল্যাকহেডস উঠে আসে। নাকের ওপর এবং ঠোটের নিচের অংশে
সাধারণত সাদা ও কালো দানা বা ব্ল্যাকহেডস বেশি দেখা যায়। তবে খুব জোরে চাপাচাপি
করবেন না, এতে ত্বকে লাল দাগ বা ক্ষত সৃষ্টি হতে পারে। ব্ল্যাকহেডস পরিষ্কার
করার পর সাথে সাথে সাধারণ পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নেওয়া উচিত। এতে করে খোলা
রোমকূপগুলো আবার সংকুচিত হয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। এর পরে গোল্ড ফেসিয়াল
ইউজ করলে অনেক ভালো ফল পাওয়া যায়।
স্বর্ণের নির্যাস যুক্ত ক্রিম দিয়ে ম্যাসাজ
এই ম্যাসাজটি হলে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ার মূল, যেখানে স্বর্ণের নির্যাস বা গোল্ড
ক্রিম ব্যবহার করে ত্বককে পুনরুজ্জীবিত করা হয়। অ্যালোভেরা জেলের সাথে সামান্য
স্বর্ণের গুড়ো বা গোল্ড ডাস্ট মিশিয়ে একটি জাদুকরী ম্যাসাজ ক্রিম তৈরি করুন। এই
ক্রিমটি মুখের নিচ থেকে উপরের দিকে বা আপওয়ার্ড স্ট্রোকে ম্যাসাজ করলে ত্বক
টানটান হয়। স্বর্ণের কণা ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে কোষগুলোকে উদ্দীপ্ত করে এবং
বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করে। প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় নিয়ে ধৈর্য ধরে এই
ম্যাসাজটি করতে পারলে আপনার ত্বক হবে উজ্জল ও মসৃন।
গোল্ড বা স্বর্ণের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণাগুণ ত্বকের প্রদাহ কমাতে এবং স্কিন
টোন উজ্জ্বল করতে সহায়তা করে। ম্যাসাজ করার সময় চোখের আশেপাশের অংশে খুব হালকা
চাপ প্রয়োগ করতে হবে কারণ সেখানকার ত্বক পাতলা হয়। এই গোল্ড থেরাপি ম্যাসাজ
ত্বককে শিথিল করে এবং মানসিক প্রশান্তি বা রিলাক্সেশন এনে দেয়। ম্যাসাজ শেষে
টিস্যু বা ভিজে কাপড় দিয়ে অতিরিক্ত ক্রিম মুছে ফেলুন। এই ধাপটি আপনার ত্বকে সেই
কাঙ্ক্ষিত সোনালী আভা বা গোল্ডেন গ্লো এনে দেবে।
গোল্ডেন স্কিন থেরাপি প্যাকের ব্যবহার
সবশেষ ধাপে গোল্ডেন স্কিন প্যাক বা সুবর্ণ ফেসপ্যাক লাগিয়ে ত্বকের যত্ন
সম্পূর্ণ করতে হবে। চন্দন, হলুদ এবং দইয়ের মিশ্রণটি ত্বকে একটি স্বর্ণালী
আস্তরণ তৈরি করে যা পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে। এই প্যাকটি লাগানোর সময় খেয়াল
রাখবেন যেন এটি মুখ ও গলার সব জায়গায় সমানভাবে লাগে। এটি ত্বকের ছিদ্রগুলো
সংকুচিত করতে এবং ম্যাসাজের ফলে হওয়া উদ্দীপনা শান্ত করতে কাজ করে। প্যাকটি
লাগিয়ে অন্তত ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে যতক্ষণ না এটি শুকিয়ে যায়।
এই গোল্ডেন থেরাপি প্যাকটি ত্বকের আর্দ্রতা লক করে এবং দীর্ঘস্থায়ী উজ্জ্বলতা
নিশ্চিত করে। শুকিয়ে যাওয়ার পর সামান্য পানি ছিটিয়ে আলতো হাতে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে
প্যাকটি তুলে ফেলতে হবে। প্যাক তোলার পর আয়নায় তাকালে আপনি নিজেই ত্বকের
পরিবর্তন এবং উজ্জ্বলতা লক্ষ্য করতে পারবেন। এরপর টোনার এবং ময়েশ্চারাইজার
লাগিয়ে নিলেই আপনার গোল্ড ট্রিটমেন্ট সম্পন্ন হবে। মাসে অন্তত একবার এই গোল্ডেন
ফেসপ্যাক ব্যবহার করলে আপনার ত্বক সবসময় সতেজ ও সুন্দর থাকবে।
উপসংহারঃ ঘরে বসে গোল্ড ফেসিয়াল করার নিয়ম
আজ আমরা এই পোস্টের মাধ্যমে জানতে পারলাম ঘরে বসে গোল্ড ফেসিয়াল করার নিয়ম ও
সম্পূর্ণ পদ্ধতি ধাপে ধাপে আলোচনা করা হয়েছে, যা পার্লারে না গিয়েও সহজে
অনুসরণ করা যায়। প্রক্রিয়াটি শুরু হয় কাঁচা দুধ বা ফেসওয়াশ দিয়ে গভীর
পরিষ্কারের মাধ্যমে। এরপর মরা চামড়া অপসারণের জন্য স্ক্রাবিং ও লোমকূপ
পরিষ্কারের জন্য স্টিমিং করা হয়। এই প্রাথমিক ধাপের পর স্বর্ণের নির্যাসযুক্ত
ক্রিম দিয়ে ১০-১৫ মিনিট ম্যাসাজ করা হয়, যা রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। সবশেষে,
গোল্ড ফেসপ্যাক ব্যবহার করে ত্বককে পুষ্টি দেওয়া হয় ও টানটান করা হয়। এই
রুটিন ত্বককে ভেতর থেকে উজ্জ্বল, মসৃণ এবং বয়সের ছাপমুক্ত রাখতে সাহায্য
করে।
এই ঘরোয়া গোল্ড ফেসিয়াল রুটিনটি শুধুমাত্র ত্বকের তাৎক্ষণিক উজ্জ্বলতা
বাড়ায় না, বরং এটি রাসায়নিক উপাদান এড়িয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বকের যত্ন নেওয়ার
একটি দারুণ পথ। আমার মতে, ত্বকের হারিয়ে যাওয়া উজ্জলতা ফিরিয়ে আনতে এবং
দীর্ঘস্থায়ী সৌন্দর্য ধরে রাখতে মাসে একবার এই সম্পূর্ণ
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত ও সাশ্রয়ী পদ্ধতিটি মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। সঠিক
নিয়মে নিয়মিত এই ফেসিয়াল করলে পার্লারের মতোই গোল্ডেন গ্লো পাওয়া সম্ভব, যা
আত্মবিশ্বাস বাড়াতেও সাহায্য করবে।
সার্ভিস আইটির নিয়ম মেনে কমেন্ট করুন প্রত্যেকটা কমেন্টের রিভিউ করা হয়।
comment url