শিশুর ডেঙ্গু জ্বরের ৭টি সতর্কীকরণ লক্ষণ

আলসার কিভাবে ভালো হয়শিশুর ডেঙ্গু জ্বরের ৭টি সতর্কীকরণ লক্ষণ এবং এর থেকে বাচার উপায়গুলো জানতে চাচ্ছেন চলুন যেনে নেওয়া যাক। আজ আমরা এই পোস্টের মাধ্যমে আপনাকে জানিয়ে দিব, যেমন জ্বর কমার পরেও যদি অস্বাভাবিক ক্লান্তি, পেটে ব্যথা, বমি, বা রক্তপাতের মতো বিপদ সংকেত দেখেন, তাহলে দেরি না করে জরুরি ব্যবস্থা নিন। 
শিশুর-ডেঙ্গু-জ্বরের-৭টি-সতর্কীকরণ-লক্ষণ

ডেঙ্গু জ্বরের কারনে রোগীর রক্তচাপ বিপজ্জনক ভাবে কমে যায় এ সমস্যা এড়াতে এবং শিশুদের ডেঙ্গু জ্বর থেকে বাচাতে ডেঙ্গুর লক্ষন গুলো জানতে হলে পুরো পোস্টটি পড়তে থাকুন।

পোস্ট সূচীপত্রঃ শিশুর ডেঙ্গু জ্বরের ৭টি সতর্কীকরণ লক্ষণ

শিশুর ডেঙ্গু জ্বরের ৭টি সতর্কীকরণ লক্ষণ

শিশুর ডেঙ্গু জ্বরের ৭টি সতর্কীকরণ লক্ষণ, এখন আমাদের জন্য একটা বড় চিন্তার কারণ, আর সেটা যদি বাচ্চাদের হয়, তাহলে তো কথাই নেই। ডেঙ্গু হলে সাধারণত খুব জ্বর আসে, মাথা ব্যথা করে, আর গিটে গিটে ব্যথা হয়। তবে, আসল সমস্যা শুরু হতে পারে জ্বর কমে যাওয়ার পর যদি কিছু বিপদ সংকেত দেখা দেয়। এই সংকেতগুলো মানে হলো, বাচ্চার ডেঙ্গু হয়তো খারাপ দিকে যাচ্ছে, যাকে বলে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম। মনে রাখবেন এই অবস্থা কিন্তু খুব মারাত্মক। তাই, এই লক্ষণগুলো দেখলেই খুব দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।বাচ্চাদের ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে কয়েকটি লক্ষণকে অনেক বিপদজনক হিসেবে ধরা হয়, যা দেখলেই একদম দেরি না করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া উচিত।

এই সাতটা সতর্ক করার লক্ষণের মধ্যে আছে পেটে খুব ব্যথা বা অসহ্য যন্ত্রণা, একটানা বমি হওয়া যা কিছুতেই থামছে না, খুব ঘন ঘন শ্বাস নেওয়া বা শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, নাক বা মাড়ি থেকে রক্ত পড়া কিংবা বমি বা পায়খানার সাথে রক্ত যাওয়া, অতিরিক্ত দুর্বলতা, খিটখিটে হয়ে যাওয়া বা অস্থিরতা, আর শরীরে পানি জমা বা পেটের ডান দিকে ফুলে যাওয়া। এই লক্ষণগুলোর মধ্যে কোনো একটা দেখলেই এক মুহূর্তও দেরি না করে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে যান বা কাছাকাছি হাসপাতালে নিয়ে যান। দ্রুত ব্যবস্থা নিলেই মারাত্মক ডেঙ্গুর বিপদ এড়ানো সম্ভব।

শিশুর ডেঙ্গু রোগের উপসর্গ

শিশুর ডেঙ্গু রোগের উপসর্গগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পেটে তীব্র ব্যথা বা অস্বস্তি। শিশু পেটে ব্যথার কথা বললে তা কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়, এটি গুরুতর ডেঙ্গুর সতর্কীকরণ লক্ষণ হতে পারে। অনেক সময় পেটে পানি জমার কারণেও এই ব্যথা হতে পারে, যা চিকিৎসকের পরীক্ষা ছাড়া বোঝা কঠিন। এই ধরনের ব্যথা সাধারণত ডেঙ্গু জ্বরের মারাত্মক আকার ধারণ করার ইঙ্গিত দেয়। পেটে ব্যথার পাশাপাশি শিশুর ঘন ঘন বমি হতে পারে। 

যদি শিশু প্রতি ঘণ্টায় তিনবার বা তার বেশি বমি করে তবে দেরি না করে হাসপাতালে নেওয়া উচিত।অবিরাম বমির কারণে শিশুর শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। পানিশূন্যতা এড়াতে পর্যাপ্ত পরিমাণে তরল খাবার নিশ্চিত করা জরুরি। ডাবের পানি, খাবার স্যালাইন, ফলের রস - এই জাতীয় পানীয় বেশি করে দিন।

ডেঙ্গুর বিপদ সংকেত, শিশুর ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ

যদি জ্বর কমার পরেও শিশু অস্বাভাবিকভাবে ক্লান্ত বা দুর্বল হয়ে পড়ে, তবে এটি শিশুর ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ হতে পারে। এই ক্লান্তি সাধারণ অসুস্থতার চেয়ে অনেক বেশি খারাপ হয় এবং শিশু খেলাধুলা বা স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে চায় না। শিশু অনেক সময় নেতিয়ে পড়তে পারে বা ঝিমিয়ে থাকতে পারে, যা অত্যন্ত সতর্কতামূলক লক্ষণ। শারীরিক দুর্বলতা এবং ক্লান্তি ডেঙ্গুর ২য় পর্যায়ের সূচনা নির্দেশ করতে পারে। 

এই সময়টাতে শিশুর মেজাজ অস্বাভাবিকভাবে খিটখিটে বা বিরক্ত হয়ে ওঠে। শিশু কারণ ছাড়াই কান্নাকাটি করতে পারে বা অস্বাভাবিক ছটফট করতে পারে। এই পরিস্থিতিতে শিশুকে সম্পূর্ণ বিশ্রাম দিতে হবে এবং অতিরিক্ত শারীরিক কাজকর্ম থেকে বিরত রাখতে হবে। শিশুর আচরণে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখলে চিকিৎসকের সাথে কথা বলা জরুরি।

রক্তপাত শিশুর মারাত্মক ডেঙ্গুর সতর্কতামূলক চিহ্ন

শিশুর ডেঙ্গুর সতর্কতামূলক চিহ্ন এর মধ্যে একটি হলো শরীরের যেকোনো স্থান থেকে রক্তপাত। ডেঙ্গু ভাইরাস রক্ত জমাট বাধার প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে, ফলে এই লক্ষণ দেখা দিতে পারে। মাড়ি থেকে রক্ত ঝরা বা দাত ব্রাশ করার সময় রক্তপাত হওয়া একটি সাধারণ সতর্কীকরণ লক্ষণ। এর চেয়েও মারাত্মক হতে পারে নাক থেকে রক্তঝড়া। এই লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
শিশুর-ডেঙ্গু-জ্বরের-৭টি-সতর্কীকরণ-লক্ষণ

অনেক সময় প্রস্রাব, বমি বা মলের সাথে রক্ত যেতে পারে, যা আরও মারাত্মক লক্ষন হলো, রক্তপাত ডেঙ্গুর ইঙ্গিত দেয়। ত্বকে ছোট ছোট লালচে ছোপ বা র‍্যাশ দেখা যাওয়াও রক্তক্ষরণের একটি প্রাথমিক সতর্কীকরণ লক্ষণ। এই লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে রোগীকে হাসপাতালে নিতে হবে।

শিশুর ডেঙ্গুর প্রাথমিক উপসর্গ শ্বাসকষ্ট

শিশুর ডেঙ্গুর প্রাথমিক উপসর্গ হিসেবে দ্রুত এবং কষ্টকর হলো শ্বাসপ্রশ্বাস দেখা দিতে পারে। শিশু যদি স্বাভাবিকের চেয়ে ঘন ঘন শ্বাস নেয় অথবা শ্বাস নেওয়ার সময় কষ্ট হয় বা হাপিয়ে ওঠে, তবে এটি ফুসফুসে পানি জমার কারণে হতে পারে। এই অবস্থা হলে বুঝায় শিশুর ফুসফুসে পানি জমে গেছে। এই লক্ষণ ফুসফুসের কার্যকারিতায় বড় ধরনের সমস্যা নির্দেশ করে। শ্বাসকষ্টের কারণে শিশুর শরীর পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায় না, যা অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ।

 
যদি শিশু শ্বাসকষ্টের কথা বলে বা আপনি তার শ্বাস-প্রশ্বাসের কষ্টের ব্যপারটা বুঝতে পারেন তাহলে খুব তারাতারি হাসপাতালে নিয়ে যাবেন। গতিতে অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করেন, তবে দ্রুত পদক্ষেপ নিন। অক্সিজেনের মাত্রা কমে গেলে শিশুর ঠোট বা নখ নীল রং ধারন করতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে শিশুকে খুব তারাতারি জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া উচিত।

রক্তের প্লাটিল্যাট অনেক কমে যাওয়া ডেঙ্গুর গুরুতর লক্ষন

যখন শিশুদের ডেঙ্গুর গুরুতর লক্ষণ প্রকাশ পায়, তখন হাত-পা ঠান্ডা এবং স্যাতসেতে হয়ে যাওয়া একটি অন্যতম বিপদ সংকেত। এই লক্ষণটি ডেঙ্গু রক্তের প্লাটিল্যাট কমে যাওয়ার দিকে নির্দেশ করে। শরীরের রক্ত সঞ্চালন বিপজ্জনকভাবে কমে গেলে এমনটা হয়। শিশুর গায়ের রং ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া বা ত্বক শীতল অনুভব করাও শকের লক্ষণ। রক্তচাপ মারাত্মকভাবে কমে যাওয়ায় হাত-পায়ে রক্ত পৌছাতে পারে না। 

এই পরিস্থিতিতে নাড়ির গতি খুব দ্রুত ও দুর্বল হতে পারে, যা সহজে অনুভব করা যায় না। যদি এই লক্ষণগুলো দেখা যায়, তবে কোন ভাবে দেরি না করে শিশুকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (ICU) নেওয়ার প্রস্তুতি নিতে হবে। ডেঙ্গু শক সিনড্রোম দ্রুত চিকিৎসা না করলে জীবন বিপন্ন হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে কখনো  কোন দেরি করবে না যত তারা তারি সম্ভব শিশুকে হাসপাতালে নিবেন।

ডেঙ্গুর বিপদ সংকেত প্রস্রাব কমে যাওয়া

শিশুর যদি স্বাভাবিকের তুলনায় প্রস্রাবের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়, অথবা ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা ধরে যদি একেবারেই প্রস্রাব না করে, তবে তা পানিশূন্যতার লক্ষণ। ডেঙ্গু জ্বরে শরীর থেকে তরল বেরিয়ে যায়, ফলে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রস্রাব কম হওয়া কেবল পানিশূন্যতাই নয়, এটি কিডনির কার্যকারিতা ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। 

আরো পড়ুনঃ ৫০ হাজার টাকায় ২৫ টি ব্যবসার আইডিয়া 

পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ সত্ত্বেও যদি প্রস্রাব কম হয়, তবে এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার দিকে নির্দেশ করে। এই সময়ে শিশুকে পর্যাপ্ত পরিমাণে তরল পানীয় খাবার খাওয়া খুবই জরুরি। প্রতিবার বমি বা ডায়রিয়ার পর খাবার স্যালাইন বা ডাবের পানি দিতে খাওয়াতে হবে। প্রস্রাবের পরিমাণ কমে গেলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

শিশু-কিশোরের ডেঙ্গু রোগের গুরুতর বিপদচিহ্ন

ডেঙ্গু জ্বরের প্রাথমিক ধাপ পার হওয়ার পর, অর্থাৎ জ্বর কমার সঙ্গে সঙ্গেই যদি শিশুর মধ্যে কোনো ধরনের অস্বাভাবিক লক্ষন চোখে পড়ে, তবে তা মারাত্মক ডেঙ্গুর বিপদচিহ্ন হতে পারে। এই সময় পেটে তীব্র ব্যথা, অনবরত বমি হওয়া, অথবা নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া—এই লক্ষণগুলো শরীরে অভ্যন্তরীণ জটিলতার সংকেত দেয়। মনে রাখতে হবে, জ্বর কমে যাওয়া মানেই বিপদ কেটে যাওয়া নয়, বরং এই সময়টাতেই বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।
শিশুর-ডেঙ্গু-জ্বরের-৭টি-সতর্কীকরণ-লক্ষণ
সবচেয়ে ভয়ানক বিপদচিহ্নগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো শরীরের কোনো স্থান থেকে রক্তপাত হওয়া। মাড়ি বা নাক থেকে রক্ত ঝরা, রক্ত বমি হওয়া, অথবা পায়খানার সাথে রক্ত যাওয়া এগুলো রক্ত জমাট বাধার প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। এছাড়াও, শিশুর হাত-পা অস্বাভাবিকভাবে ঠাণ্ডা বা স্যাতসেতে হয়ে যাওয়া, এবং প্রস্রাবের পরিমাণ অনেক কমে যাওয়া শরীরের রক্তচাপ কমে যাওয়া এবং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার লক্ষণ। এমন পরিস্থিতিতে, বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে শিশুকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (ICU) স্থানান্তরের ব্যবস্থা করতে হবে।

ডেঙ্গু সংক্রমণ এড়ানোর কৌশল ও সুরক্ষার ব্যবস্থা

শিশুদের ডেঙ্গু সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য সবার আগে মশা থেকে বাচানোর কৌশল গ্রহণ করতে হবে। দিনের বেলাতেই এডিস মশা বেশি সক্রিয় থাকে, তাই বাচ্চাদের লম্বা হাতার জামা এবং ফুল প্যান্ট পরানো উচিত, যেন শরীরের বেশিরভাগ অংশ ঢাকা থাকে। এছাড়াও, ঘুমানোর সময় সবসময় মশারী ব্যবহার করা এবং মশা তাড়ানোর জন্য নিরাপদ স্প্রে বা লোশন ব্যবহার করা একটি কার্যকর সুরক্ষার ব্যবস্থা। বাড়ির ভেতরে বা আশেপাশে কোথাও টবে, ভাঙা পাত্রে বা টায়ারে যেন পরিষ্কার জল না জমে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে সঠিক উপায়ে সুস্থ হওয়ার মূল চাবিকাঠি হলো পানিশূন্যতা এড়ানো এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করা। এই সময় শিশুকে প্রচুর পরিমাণে তরল খাবার, যেমন খাবার স্যালাইন, ডাবের জল, বা ফলের রস নিয়মিত বিরতিতে দিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল দিয়ে জ্বর নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, তবে রক্তপাতের ঝুকি এড়াতে অন্য কোনো ব্যথার ওষুধ বা এন্টিবায়েটিক কখনোই ব্যবহার করা উচিত নয়। এই নিয়মগুলো মেনে চললে ডেঙ্গুর মতো মারাত্মক রোগ এড়ানো সহজ হবে।

উপসংহারঃ শিশুর ডেঙ্গু জ্বরের ৭টি সতর্কীকরণ লক্ষণ

প্রিয় পাঠক এই পোস্টের মাধ্যমে আজ আমরা জানতে পারলাম শিশুর ডেঙ্গু জ্বরের ৭টি সতর্কীকরণ লক্ষণ সম্পর্কে, যা ডেঙ্গু জ্বরের জটিল পর্যায় অর্থাৎ ডেঙ্গু শক সিনড্রোমের ইঙ্গিত দেয়। জ্বর কমে যাওয়ার পরও যদি পেটে তীব্র ব্যথা, অনবরত বমি, রক্তপাত, অস্বাভাবিক দুর্বলতা, শ্বাসকষ্ট, হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া বা প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়ার মতো বিপদ সংকেত দেখা যায়, তবে তা সামান্য জ্বর নয়; এটি জরুরি চিকিৎসার ইঙ্গিত। এই লক্ষণগুলি নির্দেশ করে যে শিশুর রক্তচাপ বিপজ্জনকভাবে কমে যাচ্ছে এবং তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। এই পোস্টের মাধ্যমে ডেঙ্গুর মারাত্মক পরিণতি এড়াতে সঠিক সময়ে পদক্ষেপ নেওয়ার গুরুত্বটি বারবার তুলে ধরা হয়েছে।

আমার মনে হয়, ডেঙ্গু একটা প্রতিরোধযোগ্য রোগ, আর সঠিক সময়ে সাবধান হলেই আমাদের বাচ্চাদের জীবন বাচানো সম্ভব। এই আলোচনায় যে বিপদ সংকেতগুলো বলা হলো, তা প্রতিটি অভিভাবকের জন্য একটা জীবন রক্ষার নির্দেশ হিসেবে কাজ করবে। মশা নিয়ন্ত্রণ করে রোগটাকে ঠেকানোর পাশাপাশি, যদি রোগ দেখা দেয়, তবে একটুও দেরি না করে এবং কোনো রকম ঘরোয়া টোটকা বা অপ্রয়োজনীয় ওষুধ ব্যবহার না করে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়াটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

সার্ভিস আইটির নিয়ম মেনে কমেন্ট করুন প্রত্যেকটা কমেন্টের রিভিউ করা হয়।

comment url

Md. Sanjid Ali
Md. Sanjid Ali
একজন ব্লগার/কন্টেন্ট লেখক। আধুনিক জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও জ্ঞান নিয়ে আমরা হাজির হয়েছি। এখানে আপনি অনলাইন ইনকামের নানা কৌশল, স্বাস্থ্য,চিকিৎসা, রুপচর্চা বর্তমান লাইফস্টাইল সম্পর্কিত টিপস, এবং প্রযুক্তি ও ব্লগিং-এর অজানা দিকগুলো জানতে পারবেন।